শুরু হয়েছে ভারত-বাংলাদেশের মহারণ।মঙ্গলবার (০২ জুলাই) বাংলোদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় এজবাস্টনে শুরু হবে দুই দলের লড়াই।তার আগে দু’দলের মধ্যে টস ভাগ্যের লড়াই।সেখানে জয় পেয়েছে বিরাট কোহলি।টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতীয় দলনেতা।কারন এখানে যারা আগে ব্যাটিং করবেন তারা বেশ সুযোগ পাবেন।
আজ দু’দলের লড়াই ঘিরে ভক্তদের পাখির চোখ টেলিভিষণে, কান পেতে রেখেছে রেডিওতে।যাদের পক্ষে সম্ভব তারা ঠিক চলে গেছেন এজবাস্টনে।
আজকের ম্যাচটি দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।আজ ভারতের কাছে হারলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেবে বাংলাদেশ। এখনও পর্যন্ত ৭টি ম্যাচ খেলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছে মাশরাফি মর্তুজার দল। আর ভারতকে হারাতে পারলে এবং লিগে তাদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে শেষে চারে ওঠার ক্ষীণ আশা থাকবে টাইগারদের।অন্যদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিততে না-পারলে কপালে দুঃখ রয়েছে বিরাটদের। সেমিফাইনালে যেতে শেষ দু’ম্যাচে অন্তত এক পয়েন্ট পেতে হবে কোহলিদের।
বাংলাদেশ পাঁচটি বিশ্বকাপ খেললেও ভারতের সঙ্গে দেখা হয়েছে তিনবার। ১৯৯৯ এবং ২০০৩ বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়নি এই দুই প্রতিবেশী দেশ।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিশ্বকাপে প্রথম দেখা হয় ২০০৭ সালে। প্রথমে ব্যাট করে ১৯১ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত এবং বাংলাদেশ সহজেই ৫ উইকেটে এই ম্যাচ জিতে যায় ও ভারতকে ছিটকে দেয় বিশ্বকাপ থেকে।
এরপর আবার ২০১১ সালের বিশ্বকাপে দেখা হয় দুই প্রতিবেশী দেশের। সহবাগের ১৭৫ রানের ওপর ভর করে ৩৭০ রান করে ভারত। বাংলাদেশ এই ম্যাচ হেরে যায় ৮৭ রানে।
সব শেষে ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ফের মুখোমুখি হয় দুই দেশ। রোহিত শর্মার ১৩৭ রানের সুবাদে ৩০২ রান করে ভারত। বাংলাদেশ মাত্র ১৯৩ রানে অলআউট হয়ে যায়।তবে শেষ ম্যাচ ঘিরে রয়েছে অনেক বিতর্ক। কারণ ২০১৫-এর বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ওই ম্যাচে বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ।তা না হলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত।
বার্তাবাজার/এএস