ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে পারাপার, শঙ্কায় দু’পাড়ের মানুষ

সূর্য উদয় হয়ে আবার অস্ত যায়। প্রতিদিন নতুন ভোরের আলো দেখে নাজিরহাটবাসী। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছরেও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত নাজিরহাট হালদা সেতুটির কোন পরিবর্তন দেখেনি স্থানীয়রা।

উত্তর চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাটে হালদা নদীর ওপর ব্রিটিশ শাসন আমলে ১৯৩০ সালে নির্মিত হয়েছিল লোহার সেতুটি। পুরাতন হালদা সেতু নামে পরিচিত সাড়ে তিনশ ফুট দীর্ঘ ও ১২ ফুট চওড়া সেতুটি।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ প্রায় দুই’যুগ আগে সেতুটি চলাচলে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে, এর পর কয়েকবার মেরামত হলেও পরিপূর্ণ মেরামত না হয় ২০১৮ সালের বন্যার সময় মাঝ বরাবর ৩ থেকে ৪ ফুট দেবে গেলে ২০১৮ সালের ১৫ জুন ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আবারও সেতুর ওপর দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপরও বিকল্প সেতু না থাকায় দুই উপজেলার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছে। ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে বাজারের ব্যবসায়ী, নাজিরহাট কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সহ পথচারীরা ।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ কামাল জানান, খুব ভোগান্তিতে আছি এ ব্রিজটি না হওয়ার কারণে, আমাদের অতিরিক্ত লেবার খরচ দিতে হচ্ছে শুধুমাত্র একটি ব্রিজের জন্য। স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা এ ব্রিজটি জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয়।

ফটিকছড়ি উপজেলা এলজিইডির সহকারী-প্রকৌশলী মোঃ নাইমুল ইসলামে কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি নিয়ে আপাতত আমাদের কোন প্রকল্প হাতে নেই।’

ইউসুফ হোসেন/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর