মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় চলতি বছর শুধু কালাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমপক্ষে ৫০টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে প্রশাসনের সহযোগিতায় কিছু গরু উদ্ধার হয়েছে।
স্থানীয় গ্রামববাসী বলেন, অন্যান্য সময়ের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই ভাল ছিল। তবে ইদানিং গরু চুরি বেড়ে গেছে। চুরি ঠেকাতে গ্রামবাসী সভা ডেকে রাতেরবেলা পাহারা জোরদার করেছে।
স্থানীয়রা বলেন, এলাকায় কিছু চিহ্নিত গরুচোর রয়েছে। তাদের সহযোগিতায় মৌলভীবাজার সদর থানা এলাকা থেকে চোরেরা এসে প্রাইভেটকারে লুকিয়ে গরু চুরি করে নিয়ে যায়। ইতোমধ্যে চুরি করে নিয়ে যাওয়া কিছু গরু সেখান থেকে পুণরায় টাকার বিনিময়ে ছুটিয়ে আনা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তারা আরও বলেন, যেসব লোক গরু পালন করেন তারা নিতান্তই গরীব মানুষ, গরু গুলোই তাদের একমাত্র সম্বল। গরু গুলো যখন চুরি হয় তারা সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
কাকিয়াবাজারের বাসিন্দা হাজী মুছাব্বির আল মাসুদ বলেন,আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এলাকার সবাইকে নিয়ে স্থানীয় যারা গরু চুরির সাথে জড়িত তাদের সাথে বৈঠক করা হবে। সেখানে তারা যেন চুরি না করে সেজন্য তাদের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, সমাজ ব্যবস্থা যে অবনতি হয়েছে তার থেকে বেরিয়ে আসতে
শ্রীমঙ্গল থানার ওসি মো.আব্দুছ ছালেক বলেন, ‘পুলিশের তৎপরতায় বেশিরভাগ গরুই উদ্ধার করা হয়েছে। যাতে গরু চুরি না হয় সেজন্য কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নৈশ পাহারা জোরদার করা হচ্ছে।
বার্তা বাজার/এসজে