১২ তারিখ স্কুল খুললেও ক্লাস করতে পারবে না তারা!
১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ কারণে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে শিক্ষার্থীদের পাঠ দানের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। কিন্তু দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের আমতলা বাজারের মধ্য বগুড়া নূড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার ভবন নির্মাণ কাজে র্দীঘ সূত্রিতার কারনে ওই মাদ্রাসার তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ২০১৯ সালে তিন কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যায়ে মধ্য বগুড়া নূড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার চার তলা ভবনের নির্মান কাজ শুরু করেন পটুয়াখালীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রুপালী কনষ্ট্রাকশন। ভবন নির্মানের জন্য মাদ্রাসার পাঠদানের টিনসেট ভবন ভেঙে একই স্থানে চার তলা ভবনের নির্মান কাজ শুরু হয়।
কাজের চুক্তির মেয়াদ ২৪ মাস শেষ হয়ে গেলেও ভবনের অর্ধেক কাজ শেষ করে নির্মান কাজ বন্ধ করে রেখেছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রুপালী কনষ্ট্রাকশন।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ আব্দুল মালেক বলেন, ভবন নির্মান কাজ শেষ না হওয়ায় মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানের মত কোন স্থান নেই। তিনি আরো বলেন, মাদ্রাসায় মাত্র একটি পরিত্যাক্ত টিনসেট ঘরে শিক্ষক কর্মচারীদের বসার স্থান রয়েছে।
১২ তারিখে মাদ্রাসা খুলে দেয়ার পরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরম ভাবে ব্যহত হওয়ার আশংকা প্রকাশ করেন তিনি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রুপালী কনাষ্ট্রাকশনের স্বত্বাধীকারী মোঃ আজম বলেন, কোন টাকা পাইনা,চলতি জুনেও এক টাকাও পাইনি লোন করে ভবন নির্মানের কাজ চালিয়েছি এখন আর পারছিনা বরাদ্দ পেলে ওই ভবনের কাজ আবার শুরু করা হবে।
ভবনের তদারকির দ্বায়িত্বে থাকা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-প্রকৌশলী মোঃ রাসেদ বলেন, চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবনের নির্মান কাজ সম্পন্ন করা না হলে আইন অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করার বিধান রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বরাদ্দ না থাকায় ভবনের নির্মান কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চাপ প্রয়োগও করা যাচ্ছে না॥
বার্তা বাজার/টি