ধোবাউড়ায় সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহায়তায় ঘর পেল বৃদ্ধা
ভাঙাচোরা জরাজীর্ণ চুপড়ি ঘরটিতেই অনেক দিন ধরে বাস করতেন সখিনা খাতুন। বয়স এখন ৯০ ছুঁই ছুঁই। জানা যায় অনেকদিন আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলে সন্তানও থাকে এই চুপড়ি ঘরে একা রেখে অন্যত্র বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। বয়স্ক ভাতার টাকা দিয়ে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে জীবন পার করছেন।
বৃদ্ধা সখিনা খাতুনের বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার পূর্ব গামারিতলা গ্রামে।
বৃদ্ধ বয়সেও ভালো একটি ঘরে থাকার সৌভাগ্য হয়নি। পুরাতন, ভাঙ্গা ও জীর্ণশীর্ণ টিনের ঘেরাও করা এই ঘরেই তার বসবাস, বৃষ্টি এলে তাকে ভিজতে হয়, ঝড় এলে ভয়ে থাকতে হয়। ঘরেও নাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
ঘর নিয়ে এমন কষ্টের কথা জানতে পারে স্থানীয় একটি সামাজিক সংগঠন “পায়রা মানবতার তরে” সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।
পরে পায়রার পক্ষ থেকে শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যায় সখিনা খাতুনের কাছে হস্তান্তর করেন।
ঘর নির্মানের পাশাপাশি শৌচাগার মেরামত ও স্বামীর কবরের সংরক্ষণ করার জন্য বেড় দেন।
এছাড়াও এক মাসের জন্য চাল, ডাল, তেল, লবন, পেঁয়াজ, বসুন, আলু, মাংস, মসলা, সবান সহ যাবতীয় খাদ্য সামগ্রী এবং একটি তোষক প্রদান করা হয়েছে।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন পায়রার সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম টিটু, অর্থ সম্পাদক ইকবাল শাকুর, ক্রীড়া সম্পাদক আমজত আলী, উপ সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ রানা, ত্রান ও দুর্যোগ সম্পাদক রেজাউল করিম, আইন সম্পাদক মামুন মৃধা, উপ আইন সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, সদস্য আনিসুর রহমান, মাহাবুব এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আনিসুর রহমান/বার্তা বাজার/এসবি