র্যাবের গুলিতে পা হারানো সেই লিমন হোসেন আজ বিয়ে করছেন। পাত্রী রাবেয়া বশরী যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার সরখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবান নাম টিটু মোল্লা ও মায়ের নাম জ্যোস্না বেগম।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বরপক্ষ কনের বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ২৩ মার্চ বিকালে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার জমাদ্দারহাটে র্যাবের অভিযানের সময় লিমন হোসেন গুলিবিদ্ধ হন।
লিমন জানান, র্যাব সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে পায়ে গুলি করেন। এর কয়েক দিন পর ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসকরা তার বাঁ পা কেটে ফেলতে বাধ্য হন।
উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার মাত্র ১২ দিন আগে এ ঘটনা ঘটে। তখন লিমনের বয়স ছিল ১৬ বছর। সে বছর আর পরীক্ষা দেওয়া হয়নি।
তবে দমে যাননি দরিদ্র পরিবারের সন্তান মেধাবী লিমন। চিকিৎসাধীন পড়াশোনা করে পরের বছর পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার কাঁঠালিয়া পিজিএস বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ পান তিনি। এর পর ভর্তি হন সাভারের গণবিশ্ববিদ্যালয়ে।
২০১৮ সালে সাভার গণবিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন লিমন। এরপর ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করে সাভার গণবিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে শিক্ষা সহকারী পদে যোগ দেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সহকারী প্রভাষক হিসেবে পদোন্নতি পান লিমন।
বার্তা বাজার/এমকে