সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কিছুর দাম না কমলেও বেড়েছে ডাল, আটা ও মুরগির দাম। অপরদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। এসব বাজারে বেশিরভাগ সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
এসব বাজারে প্রতিকেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০-৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাকরোল ৮০ থেকেন ৬০ টাকা।
এসব বাজারে গত সপ্তাহের দামে পেঁয়াজ। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ কেজি। বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়।
এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০-২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০-১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডালের দাম ৫ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকায়।
মাছ বাজারের এক তেল বিক্রেতা আবদুস সালাম বলেন, বাজারে ভোজ্যতেল আগের কেনা দামে বিক্রি করছি। আমরা এখনো লিটার বিক্রি করছি ১৫০ টাকা। দুই-একদিনের মধ্যেই ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি ৭ বড়ার সম্ভাবনা আছে। নতুন তেল বাজারে ঢুকলে বাড়তি দামে বিক্রি হতে শুরু হবে।
বাজারে বেড়েছে আটার দাম। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। কেজিতে আটার দাম বেড়েছে ৩-৫ টাকা। অপরিবর্তীত রয়েছে চিনির দাম। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়।
বার্তা বাজার/এমকে