বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চান্দাই ইউনিয়নে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ভান্ডারদহ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া ভুক্তভোগী ওই কিশোরী এখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে কথা হলে কিশোরী ও তার বাবা জানায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর সাথে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার চর রুপপুর গ্রামের আজিজুল বিশ্বাসের ছেলে মোঃ মাহফুজ বিশ্বাস (২৩) নামের এক যুবকের মোবাইল ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে দেড় বছর পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক হয়। সম্পর্কের এক পর্যায়ে কিশোরীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই যুবক একাধিক বার শারীরিক সম্পর্ক করে।
এতে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যায়। পরে ওই কিশোরী বিভিন্ন শারীরিক ও মানুষিক সমস্যার সম্মুখীন হলে বাড়িতে তার মা ও দাদীর কাছে সব খুলে বলে।
এই অবস্থায় মাহফুজ বিশ্বাস নামের ওই যুবককে আনুমানিক ১৫/২০ দিন পূর্বে ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে ঢেকে এনে ওই কিশোরী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিষয়টি জানানো হয়।
বিয়ের কথা বললে মাহফুজ অস্বীকৃতি জানায়।
মেয়েটি প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় বাধ্য হয়ে গ্রামের প্রধান বর্গ মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধিকরন) আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী বিয়ে রেজিস্ট্রি ছাড়াই একজন মাওলানা বা হুজুরকে ঢেকে মাহফুজের সাথে ওই কিশোরীর বিয়ে দেন।
বিয়ের একদিন পর মাহফুজ নিজ বাড়ি ঈশ্বরদী চলে যাওয়ার পর থেকে তার মোবাইল ফোন (013*******93) নাম্বার বন্ধ করে সকল প্রকার যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেয় ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে। এ অবস্থায় প্রশাসন ও সাংবাদিক সহায়তা চায় পরিবারটি।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম মৃধা জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনাই। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাকলাইন শুভ/বার্তা বাজার/টি