নদীগর্ভে মসজিদ-ঘরবাড়ী, ঝুঁকিতে ফেরিঘাটসহ বহু স্থাপনা
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আবারো পদ্মার ভাঙ্গনে নদী গঅভে বিলীন হয়েছে পাকা মসজিদসহ কয়েকটি বসতবাড়ি। ভাঙ্গন ঝুঁকিতে রয়েছে ফেরিঘাট সহ বহু স্থাপনা ও ঘরবাড়ী।
সোমবার (৩০ আগস্ট)সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার সিদ্দিক কাজী পাড়া এলাকায় এ ভাঙ্গন শুরু হয়। ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যগ ডাম্পিং শুরু করেছে বিআইডব্লিউটি। তবে কাজের গতি কম বলে জানায় স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মসজিদের এক তৃতীয়াংশসহ অন্তত ৭টি বসতবাড়ী নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে এবং ভাঙ্গন আতঙ্কে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অর্ধশত বসতবাড়ীসহ নানা স্থাপনা। ভাঙ্গন ঝুঁকিতে রয়েছে লঞ্চ ও তিনটি ফেরি ঘাটসহ দুই শতাধিক বাড়ী ।
এ দিকে সোমবার দুপুরে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম, গোয়ালন্দ উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা মুন্সি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুল হক খান মামুন, দৌলতদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রহমান মন্ডলসহ অনেকে।
দৌলতদিয়া ২ নং ওয়ার্ড সদস্য আশরাফুল ইসলাম আশরাফ ও স্থানীয় সিদ্দিক কাজী জানান, সকাল থেকে ৪ নম্বর ঘাট এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে মসজিদ নদী গর্ভে চলে গেছে এবং বহু বাড়ী সরিয়ে নেয়া হয়েছে। হুমকিতে রয়েছে লঞ্চ ঘাটসহ ৩, ৪ ও ৫ নম্বর ফেরি ঘাটসহ ঘাট এলাকার বসতবাড়ী।
বিআইডব্লিউটিএ উপসহকারী প্রকৌশলী মকবুল হোসেন বলেন, ভাঙ্গন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম বলেন, এখানে স্থায়ী কাজ করা হবে। তারপরও ঘাট এলাকার ভাঙ্গন রোধে বিআইডব্লিউটিএ বালুর বস্তা ফেলার কাজ করছেন। এবং কাজের গতি বাড়াতে বিআইডব্লিউটিএ উপসহকারী প্রকৌশলী মকবুল হোসেনকে নির্দেশ দেন। এছাড়া ভাঙনের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানান। ক্ষতিগ্রস্থদের শুকনো খাবার ও তালিকা করে টিন দেয়া হবে।
মেহেদী হাসান রাজু/বার্তা বাজার/টি