কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু স্নাতকোত্তরের পরীক্ষা সশরীরে নেওয়ার সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়ায় এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের চূড়ান্ত পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার এক জরুরী সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. শামিমুল ইসলাম।
অধ্যাপক ড. শামিমুল ইসলাম বলেন, সশরীরে পরীক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় যে কমিটি ছিলো, উপাচার্য স্যারের উপস্থিতিতে সে কমিটির সাথে সভা হয়েছে। সেখানে স্নাতোকোত্তর ও ৪র্থ বর্ষের জন্য যুগ্মভাবে একটা রুটিন করে এবং তাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা শুরু করার সুপারিশ এসেছে।
এর আগে সকালে সেশনজট থেকে মুক্তি ও স্নাতক পরীক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করে সাধারন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, যে সকল বিভাগের সেশনজট অনেক বেশী অতি দ্রুত সেসকল বিভাগের সকল ব্যাচের রুটিন পাব্লিশ করে কিভাবে তাদের সেশনজট কমানো যায় সে ব্যাপারে প্রশাসনের কার্যকারী উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং অনার্সের বিভিন্ন বর্ষের ঝুলে থাকা এক্সাম গুলো কিভাবে দ্রুত নেওয়া যায় সে ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, প্রশাসন যদি মনে করে অফলাইনে এক্সাম নেওয়া সম্ভব না তাহলে যেন দ্রুতই অনলাইনে এক্সাম নেওয়া শুরু হয় আর কোভিড সিচুয়েশন ভালোর দিকে আসলে যেন এক্সাম গুলো অফলাইনে নেওয়া হয়। ঢাবি সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কেউ অনলাইনে আবার কেউ অফলাইনে এক্সাম দিচ্ছে কিন্তু কুবিতে কোনোটাই হচ্ছে না, তুলনামূলক আমরা অনেক পিছিয়ে পড়ছি।
উল্লেখ্য, গত রোববার (২৯ আগস্ট) কেন্দ্রীয় পরীক্ষা কমিটির মিটিংয়ে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
সাজ্জাদ বাসার/বার্তা বাজার/এসবি