বাবার স্মার্টফোনে ভিডিও দেখে আত্মহত্যা করল মেয়ে

বাবার স্মার্টফোন কাছে পেয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করছিল ১২ বছরের ছোট্ট মেয়ে। হঠাৎ বাড়িতে থাকা একটি ইলাস্টিক দড়ি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় পেঁচিয়ে ঝুলে পড়ে সে। এরপর না ফেরার দেশে চলে যান এই তরুণী।

শনিবার মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাগপুরের হংসপুরি এলাকায়। ১২ বছরের মেয়েটির নাম শিখা রাঠৌড়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ওইদিন বিকেল চারটার দিকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখে তারই ছোট বোন। বোনকে এভাবে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকতে দেখে ভয় পেয়ে মাকে ডেকে আনে সে। তড়িঘড়ি শিখাকে নামিয়ে এনে নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান শিখার মা। কিন্তু বাঁচানো যায়নি ছোট্ট শিখাকে। চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ঘটনার আগে বাবার মোবাইল নিয়ে ইউটিউবে আত্মহত্যার কোনো ভিডিও দেখেছিল শিখা। এই ভিডিওর কথা মার কাছে গল্প করেও জানায় সে। কিন্তু মেয়ে যে নিজেই এমন একটা কাণ্ড করে বসবে, তা বুঝে উঠতে পারেননি শিখার মা।

পুলিশের ধারণা, ওই ভিডিও দেখেই হয়তো এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে শিখা। এ ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ বলে নথিভুক্ত করেছে পুলিশ।

বার্তাবাজার/এএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর