নতুন ভবন: সংস্কারের জন্য বরাদ্ধ আসে প্রতি বছর

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ৩৫ নং নাগ্রাভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন এটি। ২০১৫ – ১৬ অর্থ বছরে ভবনটির কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ২০১৭ সালে।

২০১৮ সাল থেকে ভবনটিতে শুরু হয় পাঠদান। ২০১৯ -২০ অর্থবছরে ২ লক্ষ টাকা মেরামতের জন্য বরাদ্দ হয়। ২০২০ – ২০২১ অর্থ বছরে আবারও বরাদ্দ হয় ২ লক্ষ টাকা।

বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার কাজের পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে, ৫ বছরের মধ্যে একই বিদ্যালয়ে একাধিকবার সংস্কার বা মেরামতের কাজে বরাদ্দ ব্যয় করা যাবে না। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন ভবনটিতে ২০২০ সালে রং করা হয়েছে আবার এ বছর রং করা হয়েছে। এটা মেরামত না বানিজ্য আমরা স্পষ্ট হতে চাই। প্যাটার্ণ স্টোন ঢালাই না দিয়ে কোন রকম রংয়ের প্রলেপ দিয়ে সরকারী টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। বিল ভাউচারের সাথে কাজের কোন মিল নেই।

টেবিল না কিনেই ১৭ হাজার টাকার ৪টি টেবিলের ভাউচার দেখানো হয়েছে। দরজা না কিনেও ভাউচার। রংয়ের ভাউচারে বার্জার রং ৩৪ হাজার ২ শত টাকা, প্লাস্টিক রং ৪৬ হাজার ৫ শত টাকা, ওয়েদার কোট ৩৩ হাজার ৬ শত টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। প্লাস্টিক রং ও ওয়েদার কোট ব্যবহার না করেই বিল ভাউচার করা হয়েছে।

সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু মেরামতের টাকা নয়, স্লিপ, রুটিন মেইনটেন্যান্সের টাকাও সঠিকভাবে ব্যয় করা হয় না। কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা না নিলে মানববন্ধন সহ অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা বেগম জানান, শতভাগ কাজ হয়েছে। কাজে কোন অনিয়ম হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অচ্যুতানন্দ দাস বলেন, ঢাকা থেকেই স্কুল চুড়ান্ত করে বরাদ্ধ পাঠায়। আমাদের কিছু করার নাই।

শাজাহান/বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর