ভিক্ষা ছেড়ে ব্যবসা শুরু
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়নের কায়না গ্রামের মৃত আ. কাদের হাওলাদারের ছেলে মো. বজলুর রহমান। উচ্চতা মাত্র সাড়ে তিন ফুট।
২৫বছর আগে বাবা মারা যান। বছর পাচেক আগে মারা যান মা। বড় ভাই আ.রশিদের সাথে থাকেন বজলুর। ক্ষুদ্রাকৃতির এই মানুষটি ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা প্রশাসনের। পরে ইউএনও জাকির হোসেন ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় তাকে একটি ঘর সহ একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থা করেন।
শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকালে ৪টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ঘরসহ চায়ের দোকানের যাবতীয় মালামাল সামগ্রী বজলুরকে উপহার দেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ কামাল হোসেন। ঘর পেয়ে আনন্দিত বজলুর জানালেন,‘ আর ভিক্ষা নয়, ব্যবসা করেই জীবিকা নির্বাহ করবেন তিনি। ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী, ডিসি ও ইউএনওকে।’
একই কর্মসূচির আওতায় উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের নয়ন মিয়া গরামী(৬৫) ও সদর ইউনিয়নের মোঃ রহিম গাজী(৫০)কে দোকান ঘর ও মালামাল এবং কালিশুরী ইউনিয়নের বিধবা কুলসুম বেগমকে (৪০) গরু উপহার দেওয়া হয়েছে।
ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচি অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) জি এম সরফরাজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ হুমায়ন কবির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব বিশ্বাস, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান প্রমূখ।
এম.এ হান্নান/বার্তা বাজার/টি