চট্টগ্রামের মুরাদপুরে বৃষ্টির জলাবদ্ধতায় নালায় পড়ে নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ীর এখনো কোন খোঁজ মিলেনি।
শনিবার (২৮ আগস্ট) চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপ-পরিচালক ফখর উদ্দিন আহমেদ জানান, নালায় পড়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর সন্ধানে একাধিকবার অভিযান চালিয়েও কোন খোঁজ মিলেনি।
তিনি বলেন, গত বুধবার (২৫ আগস্ট) নগরীর মুরাদপুরে নালায় পড়ে তলিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীর সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তবে গত ৭২ ঘণ্টায়ও মিলেনি নিখোঁজ ব্যবসায়ীর কোন হদিস। গত বুধবার থেকে বিরতি দিয়ে পালা করে তল্লাশি অভিযান অব্যহত রেখেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এদিকে মুরাদপুর থেকে শুরু হয়ে পুরো নালার বিভিন্ন স্পটে তল্লাশি অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস।
তিনি আরো বলেন, ‘ শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৮ টা থেকে ৪র্থ দিনের মতো ফায়ার সার্ভিসের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। আজকে নালা বিভিন্ন স্পটে অভিযান চালানো হচ্ছে। সাধারণত ২৪ ঘন্টা পরে পানিতে ডুবে যাওয়া কারো লাশ ভেসে ওঠে। তবে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে না পাওয়া যায়নি। এর কারণ হতে পারে পানির স্রোতে অনেক দূরে ভেসে গেছেন অথবা নালায় ময়লার ভিতরের কোথাও দেহটি আটকে আছে।
আমরা ঘটনার প্রথমেই যে স্পটগুলো নির্ধারণ করেছিলাম গতকাল পর্যন্ত সেখানে কিছু পাইনি। এজন্য আজকে আমরা নালাটির শেষ প্রান্ত পর্যন্ত অভিযান চালাব। কর্ণফুলী নদীর যেখান থেকে নালাটি শুরু হয়েছে সেখানেও আমাদের অভিযান চলবে। আর কর্ণফুলী নদীতেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে সেখান থেকেও এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন তথ্য আসেনি। নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত বুধবার নগরীর মুরাদপুর এলাকায় জলাবদ্ধতার তীব্র স্রোতে পা পিছলে নালায় পড়ে নিখোঁজ হন মোঃ সালেহ আহমদ নামে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। তিনি চকবাজার এলাকায় সবজি ব্যবসা করতেন। তার বাড়ি পটিয়া উপজেলার মনসার টেক এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে।
হুমায়ুন চৌধুরী/বার্তা বাজার/টি