মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাট বামন্দী গ্রামে বড় ভাই হাফিজুল ইসলামের হাসুয়ার কােপে ছােট বােন পিংকি খাতুন (১৯) গুরুতর জখম হয়ে এখন মৃত্যু শয্যায় রয়েছেন। আহত পিংকি উপজেলার হাট বামন্দী পশ্চিম পাড়ার বশির আলীর মেয়ে।
শুক্রবার (২৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বামন্দী গ্রামের পশ্চিম পাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বশির আলীর পরিবারে কয়েক বছর যাবত জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার ছেলে-মেয়ের মধ্যে বিরােধ চলছিল। সপ্তাহখানেক আগেও হাফিজুল ইসলাম জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার বাবা বশির ও নানীকে বেধড়ক মারপিট করেছিলেন। ওই সময় স্থানীয়রা বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা করেছিলেন।
পূর্বে মিমাংসা করা হলেও শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে আবারও ওই পরিবারের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে হাফিজুল (দেশীয় অস্ত্র) ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার ছোট বোন পিংকির গলায় কোপ দেন। হাসুয়ার কোপে রক্তাক্ত হয়ে পিংকি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বামন্দী শহরের একটি ক্লিনিকে নেয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে, রাতেই কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এদিকে হামলাকারি হাফিজুল ওত্রা স্ত্রী রেবেকা খাতুন পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লােকজন তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
গাংনী থানার ওসি বজলুর রহমান জানান, খবর পেয়ে হামলাকারী হাফিজুল ও তার স্ত্রী রেবেকে খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি আমরা।
মাসুদ রানা/বার্তা বাজার/এসজে