উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলামের হস্তক্ষেপে ১০ শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাত ৯ টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের পশ্চিম তারালি গ্রামে।
জানা যায়, উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়নের মহৎপুর গ্রামের ফজর আলীর ছেলে পুলিশ সদস্য শেখ শাহিনের সাথে বিয়ে ঠিক হয় পশ্চিম তারালী এলাকার রবিউল ইসলাম গাজীর স্কুল পড়ুয়া মেয়ের।
জন্মনিবন্ধন ও স্কুলের বিভিন্ন কাগজে ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে গোপনে বিবাহের সব আয়োজন সম্পন্ন করে পরিবার। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানতে পেরে তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোটকে ঘটনাস্থলে পাঠান।
রাত ৯ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান মেয়ের বাড়িতে উপস্থিতি হয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধের নির্দেশ দেন। ওই সময় মেয়ের পিতা মেয়ের বয়স ১৮ না হওয়ার আগে বিবাহ প্রদান করবেন না এমন অঙ্গিকার নামায় স্বাক্ষর করেন।
এদিকে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলামের কাছে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
সরকারি ফোন নাম্বার খোলা রেখে ফোন রিসিভ না করার ঘটনা এর আগেও একাধিকবার ঘটেছে। যার কারণে সাধারণ জনগণসহ সংবাদকর্মীরা ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে বার বার। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরকে জানালেও কাজ হয়নি।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকাল রাতে ইউএনও মহোদয়ের ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যেয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করি।
শাওন আহমেদ/বার্তা বাজার/টি