আফগানিস্তানের কাবুলে দুই দফায় বোমা বিস্ফোরণে শতাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আহত দেড় শতাধিকের মধ্য থেকেও মারা যেতে পারেন বহু। এ কারণে সেখানে আটকে থাকা ১৫ বাংলাদেশি নাগরিকের ফেরা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। একইসাথে চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনসের ১৬০ আফগান নারী শিক্ষার্থীরও ফেরার অনিশ্চিত হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) জাতিসংঘের শরনার্থী সংস্থার মাধ্যমে একটি বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশ এ আসার কথা ছিল তাদের। বুধবার দুপুর থেকে তারা ফ্লাইটে আরোহন করার জন্য কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় অপেক্ষা করছিল।
বিস্ফোরণের কয়েক ঘন্টা আগে সেখানে আটকে থাকা বাংলাদেশি নাগরিক রাজীব বিন ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘বুধবার বেলা দুইটা থেকে বিমানবন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছি। এখনো আমরা বিমানবন্দরের গেটের বাইরে আছি।’
তবে রাত ১২টার দিকে তিনি জানান, বাংলাদেশিরা সবাই সুস্থ আছে। তবে পরিস্থিতি ভীতিকর।
আফগানিস্তানের মোবাইল অপারেটর ওয়্যারলেসের সিনিয়র অফিসার রাজীব বিন ইসলাম জানান, গত মঙ্গলবার আমাদের দেশের উদ্দেশে যাত্রার কথা ছিল। কিন্তু অনুমতি পাইনি বলে কাবুল বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেও মাঝপথে ফিরতে হয়েছিল। পরে বিমানবন্দরে এসে জানি, (আজ বৃহস্পতিবার) আমাদের জন্য অনুমতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশেষ ফ্লাইটে তাঁদের দেশে ফেরার কথা। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশেষ ফ্লাইটটি কাবুল থেকে সরাসরি চট্টগ্রামে অবতরণের কথা ছিল।
তারও আগে ১৫ বাংলাদেশিকে ফেরানর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।’ তবে সেখানকার পরিস্থিতি এখনো ঘোলাটে বলে তিনি এ নিয়ে কিছু বলতে চাননি।
বার্তা বাজার/এসজে