কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকার ৪ মাতবরসহ ধর্ষকের নামে মামলা করেছে ওই ছাত্রীর মা। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মাতবরদের বিরুদ্ধে ৭০ হাজার টাকা ভাগাভাগি করার অভিযোগও আছে।
জানা যায়, ওই স্কুল ছাত্রী ছাগল পালন করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় ১২ আগস্ট ছাগলকে ঘাস খাওয়াতে মাঠে নিয়ে যায়। পরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলে কাশেম মিয়া নামে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।
একপর্যায়ে ওই ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করতে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর অভিভাবক স্থানীয় মাতবরদের কাছে বিচার চান।
অভিযুক্ত কাশেম মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন, স্থানীয় মাতবর হযরত আলী হর্জন, নুরুল ইসলাম ও মনির হোসেন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরিবারটিকে চাপ প্রয়োগ করে। বিষয়টি যেন বেশি ছড়াছড়ি না হয় বলে হুমকি দেয়। পুরো পরিবারকে মেরে গ্রাম থেকে বের করে দেয়া হবে।
পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় বুধবার রাতে ৪ মাতবরসহ অভিযুক্ত ধর্ষকের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে ধর্ষক কাশেম মিয়া ও মাতবররা পলাতক রয়েছে। তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বার্তা বাজার/এসবি