পদ্মা সেতুতে সাইকেল ও পায়ে হাঁটার লেন না থাকার কারণ

পদ্মা সেতু পারাপারে সাইকেল ও পায়ে হেঁটে চলাচলের কোনো লেন রাখা হয়নি তার কারণ দুর্ঘটনা ও সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা মাথায় রেখে। তবে, সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সিএনজি চলতে দেওয়ার বিষয়টি সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী আহমেদ আহসান উল্লাহ মজুমদার সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ‘পদ্মা সেতুতে দুই চাকার যানের মধ্যে শুধু মোটরসাইকেলের অনুমতি আছে। সাইকেল চলাচলের জন্য আলাদা লেন দরকার। যা ডিজাইন অনুযায়ী নেই। সাইকেল লেন না থাকার পেছনে নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত।’

আহমেদ আহসান উল্লাহ মজুমদার আরও জানান, ‘সড়কপথে পায়ে হেঁটে চলার সুযোগ নেই। রেলপথে শুধু রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীরা পায়ে হেঁটে চলাচল করতে পারবে। সেতুর এক নম্বর পিলার ও ৪২ নম্বর পিলারে ওঠা-নামার জন্য সিঁড়ি রাখা হবে, যা কেবল সেতু সংশ্লিষ্টদের কাজে ব্যবহৃত হবে।’

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী (সড়ক) সৈয়দ রজব আলী জানান বলেন, ‘অনেক দ্রুতগতিতে সেতুতে যানবাহন চলাচল করবে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে সাইকেল ও পায়ে হেঁটে চলাচলের লেন রাখা হয়নি। এটা যমুনা সেতুতেও নেই। তবে সেতু পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিতরা সেতুর উপরে যেতে পারবেন।’

সৈয়দ রজব আলী আরও জানান, ‘রিকশা-ভ্যানও সেতুতে চলাচল করবে না। সিএনজি চলবে কিনা এটি সরকারের সিদ্ধান্ত।’

‘পদ্মা সেতুর দুপ্রান্তে দুটি থানা স্থাপন করা হয়েছে। সেতুর উপর যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তবে সিসি ক্যামেরার সহায়তায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কতটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন হবে তা চূড়ান্ত হয়নি। আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরাই স্থাপন কর হবে,’ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী (সড়ক) সৈয়দ রজব আলী এ কথা যোগ করেন।

বার্তা বাজার/এসবি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর