চাচীর সাথে আ’লীগ নেতার পরকীয়া: ভাঙলো চাচার সংসার
টাঙ্গাইলের সখীপুরে পরকীয়া প্রেমিকা চাচীকে ২ সন্তানসহ বিয়ে করে ঘরে তুলেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা। ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম শরিফুল ইসলাম। তিন উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। উপজেলার পানাউল্লাহপাড়া গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনা।
জানা যায়, ১৯৯৮ সালে পানাউল্লাহপাড়া গ্রামের রাইজ উদ্দিনের ছেলে ইমান আলীর সাথে নলুয়া মোল্লাপাড়া গ্রামের আমির মোল্লার মেয়ের রহিমা আক্তার রুমার বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকবছর বাদেই ভাসুর ছবুর মুন্সীর ছেলের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন স্কুল শিক্ষিকা রুমা। এ কারণে স্বামীর সাথে রুমার দুরত্ব সৃষ্টি হয়। তবুও তাদের পরকীয়া চলতেই থাকে।
এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে স্বামীকে তালাক দেন রুমা। পরবর্তীতে গত সপ্তাহে দুই পরিবারের আলোচনার প্রেক্ষিতে রুমার সাথে শরীফুলের বিয়ে হয়। এর মাধ্যমে দেড় যুগের পরকীয়া প্রেমের অবসান ঘটেছে।
এ বিয়ের সত্যতা নিশ্চিতের জন্য রুমা ও তার ভাই আনোয়ার মোল্লার স্তাহে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে, তারা উভয়ই সত্যতা স্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে বহুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জানান, শরিফুল ও রুমার পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে এ বিয়েটি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং তা শরিফের বর্তমান স্ত্রীও মেনে নিয়েছে।
তবে এ বিয়ের সমালোচনা করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া সেলিম বলেন, নিজের স্ত্রী সন্তান থাকার পরও সমাজে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তি হয়ে শরিফুল ইসলামের এরকম একটি কাজ করা ঠিক হয়নি।
রুমার সাবেক স্বামী ও শরীফুলের চাচা ইমান আলী বলেন, শরিফ আমার ভাতিজা হয়ে আমার সুখের সংসার জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খাড় করে দিয়েছে। আমার সন্তান দুটো সে ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি ওই লম্পটের বিচার চাই।
আবার চাচীকে বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করে শরীফুল ইসলাম বলেন, লকডাউন থাকায় বিয়ের সময় দাওয়াত দিতে পারিনি কাউকে। সবকিছু স্বাভাবিক হলে আয়োজন করে সবাইকে দাওয়াত দেবো।
বার্তা বাজার/এসজে