পাবনা বেড়া পৌর এলাকায় বিয়ে ভাঙাকে কেন্দ্র করে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা হাতিম মিয়া (৫৫) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার (২২ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে পৌর এলাকার ভাঙাবাড়িয়া মহল্লায় এ
ঘটনার পর প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে আহত হাতিম মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার (২৩ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বেড়া থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌর এলাকার ভাঙাবাড়ি মহল্লার বাতেন প্রামানিকের ছেলে সজিবের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর হঠাৎ কনে পক্ষ বিয়েটি না করে দেয়। এতে করে সজিবের চাচা হাতিমের হাত আছে বলে সন্দেহ করা হয়। এ বিষয় নিয়ে রোববার (২২ আগস্ট) রাতে তারা পারিবারিক ভাবে বাড়িতেই একটি ঘরোয়া বৈঠকে বসেন। এসময় বর সজিব উপস্থিত ছিল না কিন্তু তার দুই ভাই সুরুজ আলী ও সাকিলসহ পরিবারের অন্যান্যরা উপস্থিত ছিল। এ অভিযোগ হাতিম মিয়া অস্বীকার করলে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সাকিল এবং সুরুজ দুই ভাই মিলে চাচা হাতিম মিয়াকে লাঠিপেটা করে।
লাঠির আঘাতে হাতিম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল থেকে রাজশাহী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সোমবার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সুরুজ এবং সাকিলকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
বেড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অরবিন্দ সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বরের দুই ভাই সাকিল এবং সুরুজকে আটক করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলা হলে পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তা বাজার/এসবি