দেশে বদনামের বোঝা মাথায় তুলে ভারতে সুনাম কুড়াচ্ছে ‘প্রাণ’

দেশের ‘প্রাণ’ কোম্পানির বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বাড়ছে ভারতে। করোনার সময়ে যখন ভারতে বিভিন্ন শিল্পের উৎপাদন কমেছে , সেই সময়েও ‘প্রাণ গ্রুপের’ পণ্যের রফতানিতে কোনও ভাটা পড়েনি আগের বছরের চেয়ে ২০২০–২১ অর্থবছরে ভারতে ‘প্রাণ’ কোম্পানির বিভিন্ন পণ্যের রফতানি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

‘প্রাণ’কোম্পানি ২০২০-২১ সালে ভারতে যে পণ্য রফতানি করেছে প্রায় মূল্য প্রায় ৬ কোটি ডলার। যা দেশের হিসাবে প্রায় ৫১০ কোটি টাকা। এরও আগে এ কোম্পানি প্রায় ৩ কোটির ডলারের জিনিস রফতানি করে ভারতে। প্রায় ২৫ বছর আগে প্রাণ গ্রুপ শুধুমাত্র তৈরি করত দিয়ে শুরু করে।

এখন প্রাণ গ্রুপ নানা রকমের খাবার পণ্য করে আসছে। যার মধ্যে আছে সস, কেচাপ, নুডলস, ফ্রুট ড্রিংকস, চিপস, স্ন্যাকস, বিস্কুট, ক্যান্ডি, জেলি, মসলা। তবে ভারতের বাজারে বেশি চাহিদা আছে প্রাণের পটেটো বিস্কুট, লিচি ড্রিংকস, পটেটো ক্র্যাকার্স ।

‘প্রাণ’ যত পণ্য রফতানি করে তার বেশিরভাগই করা হয় উত্তর পূর্ব ভারতে। মোট রফতানির ৫০ শতাংশ পণ্য রফতানি ত্রিপুরা, মেঘালয়,আসাম, মিজোরাম রাজ্যগুলিতে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল দাবি করেন য, ‘শুধুমাত্র ভারতেই নয়, বিশ্বের আরও অন্যান্য দেশেও তাদের জিনিসের চাহিদা বাড়ছে। তবে ভারতই তাদের বৃহত্তম বাজার । এখানের তাদের মোট পণ্যর প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ রফতানি হয়।’

২০১৮-১৯ সালে ভারতে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়। কিন্তু করোনার কারণে বিধিনিষেধ থাকায় ২০১৯-২০ সালে রফতানি হয় সাড়ে ৩ কোটি ডলার। তবে ২০২০–২১ বর্ষে রফতানি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬ কোটি ডলারে।

বার্তা বাজার/এসবি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর