এখনও সন্ধান মিলেনি তুরাগ নদে নিখোঁজ দুই কিশোরের

গোসল করতে নেমে নিখোঁজ দুই কিশোর। ছবি- বার্তা বাজার

সাভারের কাউন্দিয়া এলাকায় ফুটবল খেলা শেষে তুরাগ নদে গোসল করতে নামে দুই কিশোর। এরপর তারা নিখোঁজ হয়ে যায়। নিখোঁজের ১৭ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্ধান মিলেনি তাদের। শনিবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে কাউন্দিয়া ইউনিয়নের তিরিশ ফিট বালুর চর এলাকার তুরাগ নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় তারা।

নিখোঁজ কিশোরদ্বয় হলো, মিরপুর শাহ আনী থানা এলাকার সি ব্লকের আলামিনের ছেলে আলভী ও মোঃ আক্তারের ছেলে রিয়াদ। তাদের বয়স ১০-১২ এর ভেতরে এবং দু’জনেই তারা সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

এদিকে, রোববার (২২ আগস্ট) সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মত উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস ডুবুরির একটি দল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মিরপুর এলাকা থেকে ৬ জনের একটি কিশোর দল কাউন্দিয়ার তিরিশ ফিট বালুর চর এলাকায় ফুটবল খেলতে আসে। খেলা শেষে নদীতে গোসল করতে নামে সবাই। এসময় কিশোর আলভী ও রিয়াদ পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় সেদিন উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়। আজ (রোববার) সকাল থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

জানতে চাইলে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের প্রধান আব্দুল জলিল বলেন, যেখানে সেই কিশোররা নিখোঁজ হয়েছে সেখানে পানির স্রোত বেশি। এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমরা গতকালও এসেছিলাম। রাত হয়ে যাওয়ায় আজ সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান করছি। আমরা ডুবুরি দলের মোট চারজন উদ্ধার অভিযানে কাজ করছি। স্থানীয় প্রশাসন আমাদের সাথে সহয়তা করছে। উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যহত থাকবে।

এ বিষয়ে কাউন্দিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এস আই) শাহ আলম বলেন, সকাল থেকেই উদ্ধার অভিযান চলছে৷ স্পিডবোট দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পানিতে নেমে ডুবুরিরা কাজ করছে৷ আমরা তাদের কাজে সহায়তা করছি।

তবে নিখোঁজ আলভীর বাবা আলামিন বলেন, গতকাল আমার ছেলে এখানে এসে নাকি ডুবে নিখোঁজ হয়। গতকাল আমি এসেছিলাম, আজ সকালেও এসেছি। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের কোনো গুরুত্বই দেখি না৷ তারা সকাল ৭টায় আসার কথা থাকলেও ৯টা বাজার পর এসেছে। মাত্র একজন ডুবুরি দিয়ে সন্ধান চালাচ্ছে তারা, আরও ডুবুরি বাড়ানো উচিৎ।

মো. আল মামুন খান/ বার্তা বাজার/এসজে

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *