পটুয়াখালীর দশমিনায় ১২ বছরের কিশোরী ধর্ষণ ও ট্যাবলেট খাইয়ে সাড়ে ৫ মাসের বাচ্চা গর্ভপাতের অভিযোগ চাচার দিকে। শনিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে বহরমপুর ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ্য কিশোরীকে স্বজনরা দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।
কিশোরী কন্যা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের পার্শ্ববতী ঘরের ২ সন্তানের জনক চাচা স্ত্রীর সাথে দেড় বছর ধরে বিবাদ ও অনুপস্থিতির সুযোগে ওই কিশোরীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে।
কথিত চাচা আমতলা গ্রামের মুদি ব্যকসায়ী মোঃ ইয়ার উদ্দিন ফুসলিয়ে কিশোরী কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করায় গর্ভবতী হয়ে পরে। বিষয়টি গত কয়েক দিন পূর্বে নজরে আসলে শুক্রবার চাচা কিশোরী কন্যাকে দু’টো ট্যাবলেট দিয়ে রাতে খেতে বলে এতে শনিবার (২১ আগস্ট) সকালে তীব্র ব্যাথা অনুভব করে ওই কিশোরী।
এ ঘটনায় স্বজনরা স্থানীয় দাই দিয়ে বাচ্চা গর্ভপাত করালেও ফুল বের না হওয়ার ঘটনায় কিশোরী অসুস্থ্য হয়ে পরে। এ সময় স্থানীয়দের পরামর্শে স্বজনরা কিশোরীকে দশমিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেছে।
এ ঘটনায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নূর ই আবেদীন সিফাত জানায়, কিশোরীর অবস্থা আশংকাজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গর্ভপাত হওয়া বাচ্চার বয়স সাড়ে পাঁচ থেকে ৬ মাসের হবে।
এদিকে, কিশোরীর গর্ভধারণ বিষয়ে চাচাকে দায়ী করে স্থানীয়দের কাছে বক্তব্য দিয়েছে।
এ সময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত চাচাকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় চৌকিদার মো. মানিক জানায়, পুলিশ না আসা পর্যন্ত একটি কক্ষে আটক করে নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে ওসি মো. জসীম স্থানীয় সংবাদকর্মীদের বলেন, অভিযুক্তকে স্থানীয়দের রোশানল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
বার্তা বাজার/টি