করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সন্তোষজনক অবস্থায় আসলে চলতি বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বরে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এমনটিই বলছেন শিক্ষাবোর্ডের সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, যদি কোনো শিক্ষার্থীর নৈর্বচনিক বিষয় পদার্থ, রসায়ন ও উচ্চতর গণিত থাকে, তাহলে তাকে এই তিন বিষয়ের ছয়টি পত্রে পরীক্ষা দিতে হবে। তিন ঘণ্টার পরীক্ষা হবে দেড় ঘণ্টায়। রচনামূলক অংশে নম্বর থাকবে ৩৫ ও এমসিকিউ (মাল্টিপল চয়েজ কোয়েশ্চেন) থাকবে ১৫ নম্বরের। তবে প্রশ্নপত্র এখন যেভাবে হয়, সেভাবেই হবে। ফলে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বাছাই করার ক্ষেত্রে বেশি সুযোগ থাকবে।
এবারের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা যেহেতু নৈর্বচনিক বিষয়ে হবে, তাই কেন্দ্রসংখ্যা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। প্রতি বেঞ্চে বসছে একজন শিক্ষার্থী। আবশ্যিক বিষয় থাকলে যে কেন্দ্রে ৫০০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হতো, আবশ্যিক বিষয় না থাকায় সেই কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হবে বড়জোড় ১০০ জন। এ কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।
আগে যেখানে ১০টি প্রশ্নের মধ্য থেকে আটটির উত্তর দিতে হতো, সেখানে এখন ১০টি প্রশ্নই থাকবে। তবে উত্তর দিতে হবে চারটির। এর ফলে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বেছে নেওয়ার সুযোগ বেড়ে যাবে। আর প্রতি বিষয়ে মোট নম্বর ১০০ নম্বরের বদলে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। তবে ৫০ নম্বরকে ১০০তে রূপান্তর করে পরীক্ষার ফল দেওয়া হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ। এইচএসসি ফরম পূরণের কাজ চলছে। চলতি মাসের মধ্যে এ পরীক্ষার প্রস্তুত্তি শেষ হয়ে যাবে। এখনও এ দুটি পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার পুরো পরিস্থিতি অনূকূলে।
তিনি আরও বলেন, অটোপাসের অপবাদ আমরা আর নিতে চাই না। করোনার সংক্রমণ অনেকটাই কমে আসবে। ফলে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নিতে পারব।
২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা বিকল্প উপায়ে নেয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসে আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝিতে এসএসসি ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বার্তা বাজার/নব