দৌলতপুরে ৩৫ গ্রাম প্লাবিত

করোনা মহামারির মধ্যেই দেশে চলছে বন্যার প্রাদুর্ভাব। ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের নদীগুলোর পানি বাড়ছে হুহু করে। প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।

এদিকে পদ্মা নদীতে পানি বাড়তে থাকায় এর তীরবর্তী কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারি ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানি বন্দী হয়ে পড়েছে দুই ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, গত কয়েক দিনে পানির উচ্চতা সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার বিপৎসীমা নির্ধারণ আছে ১৪ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার। সেখানে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) পানির উচ্চতা ছিল ১৩ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার, যা সর্তকবার্তা।

কুষ্টিয়া পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী(পুর) এ.কিউ.এম জহুরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ পানি বাড়ছে। আরও দু–এক দিন পানি বাড়ার পর কমতে পারে। তবে আমাদের ধারণা পানি বিপদসীমা অতিক্রম করবেনা।

এ বিষয়ে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল গণমাধ্যমকে জানান, তার ইউনিয়নের ১৭টি গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ এখন পানি বন্দী। ৬০ ভাগ এলাকার বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। চরম দুর্ভোগে রয়েছেন পানি বন্দী মানুষগুলো ।

এ বিষয়ে চিলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ জানান, তার ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

এ ব্যাপারে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, মঙ্গলবার সকালে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন এর বন্যার পানি ঢোকার খবর পেয়ে তিনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ একটি টিম উপদ্রুত এলাকায় পাঠিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি লেখা হচ্ছে। সহযোগিতা পেলে বন্যা কবলিত এলাকায় তা বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এস. এম. সরোয়ার পারভেজ/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর