জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা-২০১৭ অনুযায়ী দেশে অননুমোদিত ও অনিবন্ধিত অলাইন পত্রিকাগুলোকে কেন বন্ধের নির্দেশ দেয়া হবে না ‑ জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকদের জন্য ‘নৈতিক নীতিমালা’ প্রণয়ন করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন দুই রিটকারী আইনজীবী জারিন রহমান ও রাশিদা চৌধুরী নীলু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।
এর আগে গত ৫ মে যে কোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের জন্য ‘নৈতিক নীতিমালা’ প্রণয়ন চেয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি রাজধানীতে ২১ বছরের এক মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দণ্ডবিধি আইনের ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর মধ্যে বিশেষ করে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে অগ্রহণযোগ্যভাবে নিউজ পরিবেশন করা হয়েছে। অথচ এসব সংবাদ পরিবেশনা বন্ধে বিটিআরসি কিংবা প্রেস কাউন্সিল কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।
আবেদনে আরও বলা হয়, এমতাবস্থায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে নৈতিক নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি দেশে অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলো চালু থাকার পরও বিটিআরসি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাই এসব পোর্টালগুলোর রেজিস্ট্রেশন জরুরি।
বার্তা বাজার/নব