বিচার চাইতে গিয়ে মেয়রপুত্রের হাতে ধর্ষিত কলেজ ছাত্রী

শরিয়তপুরের জাজিরায় এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ জাজিরা পৌরসভার মেয়রের ছেলেকে আটক করেছে জাজিরা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জাজিরা থানায় ধর্ষণের শিকার ঐ মেয়ে বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। তবে মেয়রের ছেলে এ ঘটনা অস্বীকার করেছে। পুলিশ বলছে ভিকটিমের অভিযোগে মেয়রের ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

জাজিরা থানা ও ভিকটিমের বোন জানান, শরীয়তপুর জেলার জাজিরা পৌর এলাকার মেয়ে জাজিরা ডিগ্রী কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী ও স্থানীয় ক্লিনিকের স্টাফ এর সঙ্গে একই এলাকার শরীফ সরদারের সঙ্গে প্রেম হয়। এক পর্যায়ে শরীফ তাকে বিয়ে করার কথা দেয়। এমনিভাবে দীর্ঘ দিন চলার মধ্য দিয়ে শরীফ কলেজ ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরপর স্ত্রী হিসেবে ব্যবহার করে ফায়দা লুটে কেটে পরে। শরীফ তাকে বিয়ে না করে অন্যত্র বিয়ে করে।

এক পর্যায়ে অসহায় ঐ কলেজ ছাত্রীকে গত শনিবার বিকেলে জাজিরা পৌরসভার মেয়র মোঃ ইউনুছ বেপারীর ছেলে মাসুদ বেপারী শরীফের সঙ্গে তার বিয়ের ফয়সালা করে দেয়ার কথা বলে ফোন করে তার বাড়িতে নেয়। এসময় মেয়রপুত্র কলেজ ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রোববার ভোরে জাজিরা থানা পুলিশ মেয়রের ছেলে মাসুদ বেপারীকে নিজ বাসা থেকে আটক করে।

এরপর ভিকটিমকে উদ্ধার করতে গেলে ভিকটিম ও তার পরিবার লোকলজ্জার ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। পরে রোববার বিকেলে এ ঘটনায় মেয়রের ছেলেসহ ২ জনকে আসামী করে জাজিরা থানায় মামলা দায়ের করে ঐ মেয়ে।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মেয়রের ছেলেকে আটক করা হয়। ভিকটিম লোকলজ্জার ভয়ে লুকিয়েছিল। ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। অপর আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর