ফেনীতে ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ডিবি পুলিশ সদস্যদের সাথে তার পার্টনার ছমদুল হক ভুট্টুও জড়িত ছিল বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার (১৬ আগস্ট) ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক এই জবানবন্দি দেন।
গোপালের পার্টনার ভুট্টুর গ্রামের বাড়ি কক্সবাজারের ক্তুবদিয়া থানাধীন দক্ষিণ ধুরং গ্রামে। আর মামলার বাদী গোপালের বাড়ি চকরিয়ায়। দীর্ঘদিন ধরে তারা চট্টগ্রামের হাজারী লেনের ইকুইটি কোহিনূর মার্কেটে আলো জুয়েলার্স নামে একটি স্বর্ণের দোকান চালিয়ে আসছিল।
আদালতে ভুট্টুর স্বীকারোক্তির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ফেনী পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ।
তিনি বলেন, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও গোপালের ক্ষতি করতে ভুট্টু ফেনী ডিবি পুলিশকে তথ্য দিয়েছে। তার তথ্য অনুযায়ী ডিবি পুলিশ গোপালকে ২০টি স্বর্ণের বারসহ ফতেহপুরে আটক করে।
এছাড়া ডিবির ওসি সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়ার রিমান্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান, রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে তার দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। তার কাছ থেকে অনেকগুলো তথ্য আদায় করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি তা প্রদান করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ছমদুল হক ভুট্টু তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন- চট্টগ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাস এক সময়ে তার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল। গোপাল স্বর্ণবার নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন এমন তথ্যটি ডিবি পুলিশকে জানিয়েছিলেন। তার দেওয়া তথ্যে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাসের গাড়ি আটক করে ডিবি পুলিশ। সে সময়ে গাড়ি তল্লাশি করে ২০টি স্বর্ণবার পেলে ডিবি পুলিশ তা নিয়ে যায়।
এদিকে ২০টি স্বর্ণের বার ডাকাতি ও লুটের মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) রোববার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত শুরু করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক শাহ আলম।
বার্তা বাজার/এসজে