আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করেছে তালেবান। এরআগে এই স্বশস্ত্র সংগঠনটি আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের ২৮টির দখল নেয়। এই পরিস্থিতিতে রক্তপাত পরিহার করা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, কোন অবস্থাতেই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বদলাবে না বাইডেন প্রশাসন।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে দখলের ছক করেই এগিয়ে যাচ্ছিলো তালেবান। এদিকে আফগান সরকারও তা প্রতিরোধে বিস্তুর নিরাপত্তা বলয় তৈরীর দাবি করে আসছিলো। তবে তালেবানের বিপক্ষে সে বলয় মোটেও পর্যাপ্ত ছিলো না। এ কারণে তালেবান যোদ্ধরা কোন ঝামেলা ছাড়াই নির্বিঘ্নে রাজধানী কাবুলে ঢুকে রোববার। তারা দেশটির ৩৪টি প্রদেশের অর্ধেকের বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রাদেশিক রাজধানী নিজেদের কব্জায় দেযনেয়।
এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ী সরকারের কাছে প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষমতা বদলের পরও কাবুল নিরাপদ থাকবে বলে জানান দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।
হাজার হাজার মানুষ কাবুল ছাড়তে শুরু করেছে তার কারণ তালেবান ও আফগান বাহিনীর লড়াইয়ে পড়ে প্রাণ হারাতে চান না তারা। অনেকে পরিবার নিয়ে শহরটির সড়কে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছে।
এদিকে, কাবুল দূতাবাস থেকে মার্কিন কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র তার কারণ তালেবানরা কাবুলে প্রবেশ করেছেন। সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের সব সেনা ফিরিয়ে আনতে আরও ৫ হাজার সেনা পাঠানো হবে বলেও জানায় বাইডেন প্রশাসন। ব্রিটিশ সরকারও তাদের নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে, ৬শ সেনা মোতায়েন করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব ঘটনা আফগানিস্তানকে ক্রমেই একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত ও গৃহযুদ্ধে পতিত হওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বার্তা বাজার/এসবি