আখাউড়ায় জাতীয় শোক দিবসে ১২’শ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা

১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট এর কালরাতে একদল বিপদগামী সেনা কর্মকর্তা নৃশংসভাবে হত্যা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের ১৭ জন সদস্যকে।

দিবসটিকে গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের সাথে পালন করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠন। তোমধ্যে ১৫ আগষ্ট কে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

সরকারী ভাবেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলালীগ সহ অঙ্গসংগঠন সমূহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এসব কর্মসূচির মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন, আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, বিভিন্ন উপাসনালয়ে প্রার্থনাসহ কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবছর করোনা মহামারি কারণে ভিন্নভাবে শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা আওয়ামীলীগ।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় এবছর জনসমাগম প্রতিরোধে কাঙ্গালী ভোজ করা হবে না। করোনা মহামারি কারণে
কর্ম হারিয়ে অর্থ সংকটে থাকা উপজেলার ১ হাজার ২০০ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

এরমধ্যে চা স্টল, সেলুন, দর্জি এবং ধোপা দোকানদার রয়েছে। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ, লবন, আলু সাবান সহ বিভিন্ন নিত্যপণ্য। প্রতিটি পরিবারকে ১ হাজার ১০ টাকার খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হবে।

এর জন্য ব্যয় হবে ১২ লক্ষাধিক টাকা। যার মধ্যে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন কসবা-আখাউড়ার সংসদ সদস্য ও আইনমন্ত্রী আনিুসল হক। বাকী টাকা স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা জোগান দিয়েছে।

১৫ আগষ্ট সকালে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়নের এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বাড়িতে খাদ্য সহায়তার প্যাকেট পৌঁছে দিবে আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ইতোমধ্যে উপকারভোগী এসব পরিবারের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। চলছে প্যাকেট তৈরির কাজ।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল বলেন, প্রতি বছর ১৫ আগষ্টে কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হতো। কিন্তু এবছর করোনা ভাইরাসের কারণে আমাদের প্রিয় নেতা, আমাদের অভিভাবক, মাননীয় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাহেব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কাঙ্গালী ভোজ করা হলে জনসমাগম হবে।

তাই কাঙ্গালী ভোজ না করে কোভিড-১৯ এ যে সমস্ত লোকজন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সে সমস্ত পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা করা হবে। যেমন চা স্টল, সেলুন, দর্জি এবং ধোপার দোকান। উপজেলার প্রায় ১হাজার ২০০ পরিবারের জন্য প্যাকেটের ব্যবস্থা করেছে।

তিনি আরও বলেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাহেব প্রতি বছর, ১৫ আগষ্টসহ জাতীয় দিবসগুলো এবং আওয়ামীলীগের দলীয় দিবসগুলো পালনে আর্থিকভাবে বেশি সহযোগিতা করে থাকেন। কসবা-আখাউড়ায় আমরা যারা আওয়ামীলীগের রাজনীতি করছি। আমরা একটা স্বর্ণযুগ পাড় করছি। সেটা সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানন্ত্রীর আস্থাভাজন, আমাদের প্রিয় নেতা, কসবা-আখাউড়ার সংসদ সদস্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের জন্য।

হাসান মাহমুদ পারভেজ/বার্তা বাজার/এসবি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর