কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার জান্নাতুল হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এবিষয়ে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম সাংবাদিকদের সাথে সংবাদ সম্মেলন করেন।
বৃহস্পতিবার (১২আগস্ট) দুপুর দেড়টায় কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হত্যা রহস্য উদঘাটন সম্পর্কে জানানো তিনি।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার তার সংবাদ সম্মেলনে বলেন,গতকাল বুধবার (১১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ০৯.৫০ মিনিটে ৯৯৯ একটি ফোন আসে সেই ফোনের ম্যাসেজটা ছিল মিরপুর থানার মশান বাজারস্থ শাহাপাড়া গ্রামে ৫/৬ বছরের একটি বাচ্চা মরদেহ পাওয়া গেছে।
মিরপুর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক মশান বাজার সংলগ্ন শাহাপাড়া গ্রামের আনিরুলের বাড়ীর দক্ষিন র্পূবপাশ্বে ক্যানেলের পাড়ে পৌছাইয়া এবং জান্নাতুল নামের(৫) বছরের বাচ্চার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ লাশের পরিচয় সনাক্ত করে যে,মেয়েটির নাম জান্নাতুল খাতুন(০৫)পিতা মোঃ জাহিদুল ইসলাম শাহ, গ্রাম শাহাপাড়া।
পুলিশ তাৎক্ষণিক সন্দেহভাজন হিসেবে তার আপন ফুফু জোহরা খাতুন(২৫) ও ফুফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিরপুর থানাই নিয়ে যায়। জাজিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে শিকার করে যে,তার আপন ফুফু জোহরা শিশুটিকে হত্যা করেছে।
হত্যাকান্ডের কারণ সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদের জানা যায় যে,গত (৮ আগস্ট) রবিবার জোহরা খাতুনের সাথে নিহত জান্নাতুল এর মা আখি বেগমের পারিবারিক বিষয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আখি বেগম তার ননদ জোহরাকে তার বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জোহরা খাতুনের মনে ভাই ও ভাবীর প্রতি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। (১১ আগস্ট) জান্নাতুল জোহরার বাড়িতে খেলা করতে আসে।আনুমানিক ০৫.২০ দিকে জোহরা কৌশলে জান্নাতুলকে তার রান্নাঘরে নিয়ে বটি দিয়ে কুপিয়ে গলা কেটে নৃশংসভাবে শিশুটিকে হত্যা করে।
হত্যা পর বাজার করা প্লাষ্টিকের ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে ফেলে আসে। এ সময় হত্যার কাজে ব্যবহৃত ১টি রক্তমাখা বটি ও ১টি প্লাষ্টিকের বাজার করা ব্যাগ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
টুটুল/বার্তা বাজার/টি