নীলফামারীতে মরিচের দাম চড়া হলেও হাসি নেই চাষীদের মাঝে
নীলফামারীতে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক মরিচ ক্ষেতে শুধু গাছ রয়েছে কিন্তু নেই ফলন, আবার জমিতে মরে যাচ্ছে মরিচের গাছ তাই মরিচ চড়া দামে বিক্রি হলেও চাষীদের মুখে নেই হাসি।
জেলা কৃষি অফিসের সূত্রে জানা যায়, জেলার মধ্যে ফসলটির চাষাবাদ বেশি হয় নীলফামারী সদর, জলঢাকা ও ডিমলা উপজেলায়। যে জমিতে বৃষ্টির পানি জমে থাকে না এবং বর্ষায় পানি উঠে না এমন জমিতে মরিচ চাষের জন্য পরামর্শ দেয়া হয় মরিচ চাষীদের।
জেলার ডিমলা ও সৈয়দপুর পাইকারী বাজারের মরিচ ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কিছুদিন পূর্বে প্রতি মন মরিচ ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ২ হাজার ২৪০০ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে।
কিন্তু গত এক সপ্তাহে প্রতি মন মরিচ ৪ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৬ হাজার ৪০০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। যা খুচরা বাজারে সবোর্চ্চ প্রতি মন ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়ার মরিচ চাষী একরামুল হক জানান, ক্ষেত থেকে যেসময় প্রচুর মরিচ সংগ্রহ করেছি সেসময় বাজারে মরিচের দাম নেই।
আর এখন বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রায়ই ক্ষেতের মরিচের গাছ মরে গেছে, ৬০ শতক জমিতে লাগানো মরিচ ক্ষেত থেকে দুইদিন পর মাত্র ৩ কেজি মরিচ সংগ্রহ করেছি। এ অবস্থায় বাজারে মরিচের দাম বেশি হলেও মরিচ চাষীদের মুখে নেই কোন হাসি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ করেও গাছ রক্ষা করতে পারছি না।
নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, এ অ লে গত কয়েকদিন থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। মরিচ ক্ষেতের জন্য এটি যথেষ্ট ক্ষতিকর। মরিচ গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকলে গাছটি দ্রুত মরে যায়।
তারিকুল ইসলাম সোহাগ/বার্তা বাজার/টি