কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার নবনিযুক্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোজলিন শহীদ চৌধুরী এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার এর সাথে পাকুন্দিয়া উপজেলার তারাকান্দির ” হুসাইনীয়া দরিদ্র কল্যাণ ফাউন্ডেশন ” এর নেতৃবৃন্দ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (১১ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ইএনও এবং এসিল্যান্ডকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং কুশলাদি বিনিময় করেন।
এসময় হুসাইনীয়া দরিদ্র কল্যাণ ফাউন্ডেশন উপদেষ্টা প্রভাষক তরিকুল হাসান শাহীন, উপদেষ্টা সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, সভাপতি মনির হোসেন কেরামত, সাধারণ সম্পাদক মোকারিম হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টুটুল আহম্মেদ, সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক সংগ্রাম, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আলিফ হাসান নিপুন উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৯ মার্চ সাবেক ইউএনও মো. নাহিদ হাসান বদলী পর থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম লুৎফর রহমান নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। একেএম লুৎফর রহমানকে ঢাকায় নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর বদলি করা হয়। প্রায় সাড়ে চার মাস পর নতুন নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে গত সোমবার (৯ আগষ্ট) সকালে যোগদান করেন ইউএনও রোজলিন শহীদ চৌধুরী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার। চাকুরিতে পদোন্নতি হয়ে এই প্রথম ইউএনও হিসেবে পাকুন্দিয়া উপজেলায় যোগদান করলেন রোজলিন শহীদ চৌধুরী।
নবাগত ইউএনও রোজলিন শহীদ চৌধুরী ৩৩তম বিসিএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে চাকুরি জীবনে প্রবেশ করেন। তিনি ২০১৪ সালের ১০ আগস্ট প্রথমে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগদান করেন। পরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কিছুদিন কর্মরত ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।
সবশেষ তিনি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার পৈত্রিক বাড়ি কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলায়। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত রোজলিন শহীদ চৌধুরীর স্বামী মোহাম্মদ নূরে আলম কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের কর্মকর্তা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার এর আগে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার নিজ জেলা ময়মনসিংহ। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত তানিয়া আক্তারের স্বামী ফারুক হোসেন বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত।
হুমায়ুন কবির/বার্তা বাজার/এস.আর