টাঙ্গাইল সদর, সখীপুর ও নাগরপুর উপজেলার পৃথক স্থানে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) এক শিশুসহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে। স্ব স্ব স্থানীয়রা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের অফিস সহায়ক আমিনুল ইসলাম (৩৪) ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছেন। সকালে কলেজের টিনসেড ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি পাশের গড়াসিন গ্রামের বাসিন্দা। টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
নাগরপুর উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের বাড়ি গ্রামের মৃত কাদেরের ছেলে মিয়া চাঁন (৬৫) সেচ পাম্প চালাতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে সকাল ১১ টার দিকে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
এছাড়া উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের লক্ষীদিয়া এলাকায় যমুনার শাখা নদী নোয়াই থেকে মধ্য বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে। নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে আমরা খবর পেয়ে নোয়াই নদী থেকে লাশ উদ্ধার করি। তবে লাশটির কোন পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।
আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি তিন চারদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। অজ্ঞাত এ নারীর বয়স আনুমানিক ৪০-৪৫ বছর হতে পারে বলে আমরা ধারনা করছি। অজ্ঞাত লাশটির ব্যাপারে তদন্ত চলছে ।
অপরদিকে সখীপুর উপজেলার কালিদাস গ্রামের নমপাড়ায় সকালে ঘরের পেছনে খেলতে গিয়ে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে স্মৃতি রাণী সরকার (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি ওই এলাকার রতন কুমার সরকারের মেয়ে।
সখীপুর থানার ওসি এ কে সাইদুল হক ভূইঁয়া জানান, শিশুর হাতে বিদ্যুতে পোড়া দাগ রয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
হাসান সিকদার/বার্তা বাজার/টি