পরিত্যক্ত ভবনে চলছে ডাকঘরের কার্যক্রম, প্রাণহানীর শঙ্কা

পটুয়াখালীর দশমিনায় ডাকঘর ভবনের ছাদ ও দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে, খসে পড়ছে পলেস্তারা, বর্ষা এলে ছাদ চুইয়ে পড়ে পানি। নষ্ট হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ভবনটি পরিত্যক্ত তালিকাভুক্ত হলেও নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের।

অপর দিকে ভবন ধসের ঘটনা ঘটতে পারে জেনেও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কর্মরতদের প্রাণহানির শঙ্কায় অফিস চালাতে হচ্ছে। এ নিয়ে নানা বিপদের সম্মুখিন হচ্ছেন সেবাদানকারী ও গ্রাহকগণ।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ১৯৮৫-৮৬ সালে দশমিনা উপজেলায় দ্বিতল বিশিষ্ট ডাক ঘরের ভবন নিমার্ণ করা হয়। ভবন নির্মাণের পর ২০০৮ সালে নামেমাত্র একবার সংস্কার করা হলেও পরের বছর থেকে বৃষ্টি হলে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রের অভিযোগ।

বর্তমানে ভবনটির দেয়ালে বড় বড় ফাটল ধরেছে, ছাদের নিচে পলেস্তারা অফিস চলাকালীন খসে পড়ে, ভবনের অনেক জায়গায় জং ধরা রড বের হয়ে আসছে। বর্ষা হলে ছাদ চুইয়ে পড়ে পানি। ফলে খসে পড়া পলেস্তারা ও ছাদ চুইয়ে পড়া পানিতে উপজেলা ডাক ঘরে থাকা ইলেক্ট্রনিক,আসবাবপত্রসহ জনগুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে।

উপজেলা পোস্টমাস্টার মো. মাহবুব আলম জানান, প্রতিনিয়ত ছাদ ও দেয়াল থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা ও বৃষ্টি হলে পড়ে পানি। এর মধ্যে অফিস করি প্রাণ হারানোর শঙ্কা নিয়ে।

পোষ্ট-ই-সেন্টারের উদ্যেক্তা মো.মাহামুদুল সজীব জানান, পলেস্তারা ও পানি পড়ে অফিসে থাকা ল্যাপটপ ,প্রিন্টার ও ফটোমেশিন নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। জীবন ঝুকি থাকায় সেন্টারের কার্যক্রম অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছি।

পটুয়াখালী মহাকুমা দায়িত্বরত পরির্শক মো.তরিকুল ইসলাম জানান, আমি কিছু দিন আগে যোগদান করেছি তবে কয়েকটি ডাকঘর ভবন জরাজীর্ণ অবস্থায় দেখেছর।

ডেপুটি পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল মোঃ মোহসিন জানান, বরিশাল বিভাগে প্রায় শতাধিক জরাজীর্ণ ডাক ঘর ভবন পুনঃনির্মাণের জন্য টেন্ডার দেয়া হয়েছে।

সাফায়েত হোসেন/বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর