মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলাধীন তেওতা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলে ১৩ বছরের এক কিশোরীর বিয়ে ঠিক হয়েছিল তাঁর দুলাভাইয়ের সাথে। কিশোরীর বড়বোন মারা যাওয়ায় পারিবারিকভাবে বিয়ের এ সিদ্ধান্ত হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার গিয়ে বন্ধ করেন।
সোমবার(০৯ আগস্ট) বিকালে ইউনিয়নের যমুনা নদীর দুর্গম আলোকদিয়া চরে এই ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, আলোকদিয়া চরের সোলাইমানের (৩২) সঙ্গে তার কিশোরী শ্যালিকার বিয়ে ঠিক করা হয়। কিন্তু কিশোরী বিয়েতে রাজি ছিল না।
তিনি জানান, জোর করে বিয়ে দেয়া হচ্ছে এ খবর জানতে পেরে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জেসমিন সুলতানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। সেখানে স্পীডবোড যোগে পৌঁছে ১৮ বছরের আগে ওই কিশোরীকে কোথাও বিয়ে দেয়া হবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয় কিশোরীর বাবা মোদী মোল্লার কাছ থেকে।
শিবালয়ের ইউএনও জেসমিন সুলতানা গণমাধ্যমকে জানান, কিশোরীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও তাকে বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয়েছে।
বার্তা বাজার/এসজে