পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে কোভিড-১৯ টিকা কেন্দ্রে লাইনে দাড়ানোকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়েছেন মা-ছেলে। এতে একজন আহত হয়েছেন। শনিবার(৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের ফেলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তির নাম সোহাগ (৩২)। তার বাড়ি ওই ইউনিয়নের টুঙ্গিবাড়িয়া গ্রামে।
জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে ওই টিকা কেন্দ্রে টিকা দিতে যান সোহাগ ও তার মা। কেন্দ্রে লাইনে (সারিতে) দাঁড়াতে গেলে ফেলাবুনিয়া গ্রামের জুলহাস নামের এক ব্যক্তি তাদের বাঁধা দেয়। এ নিয়ে সোহাগ ও জুলহাসের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি-হাতাহাতি হয়। এর জেরে জুলহাস তার আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে সোহাগকে মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মারধরে আহত সোহাগ বলেন, টিকা দিতে মাকে নিয়ে কেন্দ্রে গেলে জুলহাস লাইনে দাঁড়াতে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে আমাকে থাপ্পর দেয়, পরে আমিও তাকে থাপ্পর দেই। পরে সে লোকজন নিয়ে আমাকে মারছে। মাকেও মারছে, কিন্তু সে লজ্জ্বায় বলে না। সে (জুলহাস) তার আত্মীয়-স্বজনরা যাতে টিকা আগে পায়, সে জন্য এই কাজ করছে। পরে আর আমরা টিকা দিতে পারিনি। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
বড়বাইশদিয়া পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক ইলিয়াস মিয়া বলেন, কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে নাই। কেন্দ্রের বাহিরে একটু ঝামেলা হয়েছে শুনেছি।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, মহিলাদের লাইনে দাঁড়াতে গেলে স্বেচ্ছাসেবকরা ওই ব্যক্তিকে বাঁধা দিলে হাতাহাতি হয়। একজনে এসে একটি অভিযোগ দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, সিপিপি লাঞ্ছিত হওয়ার বিষয়টি শুনেছি। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখছি।
সাইফুল ইসলাম সায়েম