সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত ব্যক্তি ব্যারিস্টার সুমন। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিসয় নিয়ে ফেসবুক লাইভ এসে ব্যাপক জনপ্রিয়তাপান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এছাড়াও তিনি সিলেটের হবিগঞ্জের তার এলাকায় নিজ অর্থায়নে ব্রিজ করে দিয়ে এলাকায়ও জনপ্রিয়তাপান।
গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ২২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে ব্যারিস্টার সুমনকে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তিনি দলীয় শৃঙ্খরা ভঙ্গ করার দায়ে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
গত কয়েক দিন আগে শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ওসি আকতার জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হন। পরে ব্যারিস্টার সুমনের সামনে আসলে তিনি এ বিষয় নিয়ে ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করেন।
আপলোড করা সেই ভিডিওটি বক্তব্যের কিছু অংশ তুলে ধরা হয়েছে।
ব্যারিস্টার সুমন বলেন, এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ, দেশ ও পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ক্ষতি করেছেন ওসি আক্তার হোসেন।
‘আপনারা একটা জিনিস খেয়াল করে দেখেন যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্লোগান দেওয়ার মানুষ কী এতই কম যে একজন ওসি সাহেবের এই স্লোগান দিতে হবে। আমি খেয়াল করে দেখলাম, উনি বলছেন আবেগ থেকেই স্লোগান দিয়েছেন। আমার কথা হচ্ছে, আপনি যখন সরকারি দায়িত্বে থাকবেন কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন, তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে আবেগ দেখানোর সংগে সংগে কিন্তু আপনার বিরুদ্ধে পানিশমেন্ট নিয়ে আসা উচিত।’
ওসির এখনো কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায়ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ব্যারিস্টার সুমন। বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের যে নীতিমালা বা আইন রয়েছে, সেটির ব্যত্যয় ঘটানোর পরও তিনি এখনও ওই জায়গাতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন। একটা জিনিস কী জানেন? মায়ের চেয়ে যখন মাসির দরদ বেশি হয়, তখন বুঝে নেবেন আপনার অবস্থা কিন্তু ভালো না।
‘৭৫ সালের আগে বঙ্গবন্ধুর মায়ের মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি কান্নাকাটি করছিল বর্তমানে সারা বিশ্বে যে বেইমান হিসেবে পরিচিত, বিশ্বাসঘাতক হিসেবে পরিচিত সেই খন্দকার মোশতাক। তার কান্নায় নাকি বোঝা যাচ্ছিলো না যে বঙ্গবন্ধুর মা মারা গেছেন না-কি খন্দকার মোশতাকের মা। এর পরের ইতিহাস তো আপনারাই জানেন।’
তবে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা করছে নেতিবাচক। তারা ফেসবুকে ব্যারিস্টার সুমনের ভালো কাজ নিয়ে কথা বলতেছেন। এমনও বলেতেছে ভালো করায় তার পিছনে শত্রু লেগে গেছে।
তার জনপ্রিয়তা ও প্রতিবাদ মূলক ভিডিও গুলোর কারণে এমনটাই হয়েছে বলে দাবি করছে নেট দুনিয়ার সমালোচকরা।
বার্তা বাজার/টি