দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল পাকিস্তানের। দুয়োধ্বনি শুনতে শুনতে নাকাল হয়েছিলেন সরফরাজ আহমেদ ও তার দল। হাজারো গ্লানি ও পাহাড়সম চাপ বুকে নিয়ে সেখান থেকে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তারা। রয়েছেন সেমিফাইনালের দৌড়ে।
এখন পর্যন্ত ১৯৯২ বিশ্বকাপের পথে হাঁটছে পাকিস্তান। আর কয়েক ধাপ পেরোলেই ফাইনালে খেলবে আনপ্রেডিক্টেবল দলটি। দেশটির সাবেক ক্রিকেটার আজহার আলি মনে করেন, বিশ্বকাপ জেতার সবরকম সামর্থ্য আছে পাক অধিনায়ক সরফরাজের।
অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতিয়েছেন সরফরাজ। এ ছাড়া দেশকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দিয়েছেন তিনি। দুবারই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন আজহার। তার বিশ্বাস, এবারও বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা আছে প্রিয় অধিনায়কের।
আজহার বলেন, সরফরাজ মানসিকভাবে অনেক দৃঢ় প্রকৃতির মানুষ। শেষ না দেখে হারে না। তার অধীনে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জিতেছে পাকিস্তান। ওর অনন্য নেতৃত্ব গুণেই তা সম্ভব হয়েছে। এবার সে বিশ্বকাপ জিততে পারে।
টুর্নামেন্টের শুরুতে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সমর্থকদের কাছ থেকে অজস্র দুয়ো শুনতে হয়েছে পাকিস্তানকে। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন সরফরাজ ও তার দলের সদস্যরা। এ বিষয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন আজহার।
তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের দুয়ো দেয়া উচিত নয়। দল ক্রান্তিকাল পার করলে ওই সময় সবার সমর্থন দরকার হয়। ভালো করলে যেমন সবাই দলের সঙ্গে থাকেন, খারাপ করলেও সঙ্গে থাকা দরকার।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৩ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। ৮ ম্যাচে ৪ জয়, ৩ পরাজয় ও ১ পরিত্যক্তে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠে এসেছে অনুনমেয় দলটি। সেমিতে খেলতে হলে গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে জিততেই হবে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
পাশাপাশি অন্যান্য দলের জয়-পরাজয়ের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আগামী ৫ জুলাই শক্তিশালী বাংলাদেশের মুখোমুখি হবেন সরফরাজরা।