বেশিরভাগ দলই এমন স্বপ্ন দেখে

ওয়ানডে ইতিহাসে এখনো পর্যন্ত অন্তত ২০টি ম্যাচে খেলেছেন, এমন খেলোয়াড় আছেন ১০৩৩ জন। তাদের মধ্যে ৩১৩ জন খেলোয়াড়ই ব্যাটিং এবং বোলিং করার সক্ষমতা রাখেন। তার মানে ওয়ানডে ক্রিকেটে শতকরা ৩৮ ভাগ ক্রিকেটারই হচ্ছেন অলরাউন্ডার। তাহলে প্রশ্ন জাগে, বর্তমান সময়ে কি আসলেই আগের চেয়ে বেশি অলরাউন্ডার খেলছে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে ‘না’ বাচক শব্দটাই এসেছে। কেননা ২০১৫ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত অন্তত ২০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন এমন খেলোয়াড় ১৯৪ জন। অথচ, এদের মধ্যেও শতকরা ৩৮ ভাগ ক্রিকেটার অলরাউন্ডার।

সাকিব আল হাসানের ক্যারিয়ারের দিকে একবার তাকিয়ে দেখুন! ২০৪ ম্যাচ খেলে রান করেছেন ৬১৯৩। রান নেয়রা গড় ৩৭.৫৩। উইকেট নিয়েছেন ২৫৯টি। গড় ২৯.৯৫। সাকিবের অভিষেকের পর থেকে তার চেয়ে বেশি রান করেছেন কেবল ১২জন ব্যাটসম্যান। এই ১২ ব্যাটসম্যান (যারা বোলিং করতে পারেন) সবাই মিলে উইকেট নিয়েচেন মোট ৯৬টি।

এই সময়ের মধ্যে সাকিবের চেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন কেবল একজন বোলার। অথ্যাৎ, ব্যাটিং এবং বোলিংয়ে তুলনামূলক একটা চিত্র দাঁড় করালে সাকিব অন্যদের চেয়ে কতটা এগিয়ে, সেটা কল্পাতেও হয়তো আসবে না কারও। দীর্ঘ সময় সাকিবের অলরাউন্ডার র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকার মূল রহস্যই আসলে এখানে।

ওয়ানডে ক্রিকেট কখনোই অলরাউন্ডার চাওয়ার আকাঙখা কিংবা তাদেরকে বেশি অর্থ দিয়ে পুরস্কার দিতে চায়নি; কিন্তু তারপরও সংখ্যার কোনো পরিবর্তন নেই। বেশিরভাগ দলই সাকিবের মতো খেলোয়াড়কে পাওয়ার স্বপ্ন দেখে; কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের হাতে যা আছে তা নিয়েই খেলতে হয়। সাকিবের মত একজন খাঁটি এবং নিখুঁত অলরাউন্ডার উপহার দিতে পারেনি।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর