করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিরধনে ১০ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত বাড়িয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ সময়ে কল কারখানা সব খোলা থাকবে। এর আগে ১ আগস্ট থেকে কেবল রফতানিমুখী শিল্প-কারখানা খোলার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল থাকলেও গণপরিবহন, অফিসের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আগের মতই থাকছে।
করোনা মহামারীর দেড় বছরে দেশে সবচেয়ে বেশী ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। ডেল্টা ভ্যারিয়ন্টের বিস্তারে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। ১ জুলাই থেকে লকডাউন ঘোষণা হলেও কোরবানীর ঈদের সময়ে তা নয় দিন শিথীল থাকে।
ঈদের ছুটির পর কঠোর লকডাউনের কথা থাকলেও ১ আগস্ট থেকে কল কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হয়। এতে যতই দিন যাচ্ছে, রাস্তা-ঘাটে মানুষও তত বাড়ছে, জীবিকার তাগিদে মানুষও আর বিধিনিষেধ মানতে চাইছে না।
সরকারের সিদ্ধান্ত হলো, ১১ আগস্ট থেকে সীমিত আকারে সবকিছু খুলে দেয়া। গত মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক সভা শেষে এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানিয়েছিলেন, ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট, যানবাহন ও অফিস চলবে। তবে একসঙ্গে নয়।
তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে বলা হবে যেন পর্যায়ক্রমে এসব চলাচলের ব্যবস্থা করে। যেমন গাজীপুর থেকে প্রতিদিন ১০০ গাড়ি চলে। সেখানে হয়তো ৩০টি বা ৫০টি চলবে। একদিন এগুলো যাবে তো পরদিন অন্যগুলো যাবে। মালিক ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বসে পালা করে দেয়া হবে। রেল আর লঞ্চও চলবে। আর সীমিত আকারে চলার বিষয়টি নির্ধারণ করে জনগণকে অবহিত করবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ। অর্থাৎ শর্তসাপেক্ষে খোলা হবে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরো বলেন, ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে দু-চার দিন দেখা হবে। বাস্তবতার নিরিখে এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকছে। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
বার্তা বাজার/এম