ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি গ্রেফতারের পর মুখ খুলেছেন তার প্রথম স্বামী যশোরের কেশবপুরের ফেরদৌস কবীর সৌরভ।
সৌরভ জানান, পরীমনি বিয়ে করলেও সৌরভের সঙ্গে আইনগত বিচ্ছেদ হয়নি এখনো। তার কাছে কয়েকদিন আগে ফোন দিয়েছিলেন পরীমনি। ফোনে পরীমনি বলেন ‘তিনি যেন কারো কাছে কিছু না বলেন।’ তখন ঢাকা বোট ক্লাবে গিয়ে ঝামেলায় পড়েছিলেন পরীমনি। এদিকে নায়িকার সঙ্গে যোগাযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশেষ প্রয়োজনে ওর (পরীমনি) যদি দরকার হয়, তাহলে ফোন দেয়।
সৌরভের বাড়ি যশোরের কেশবপুর পৌরশহরের অফিস পাড়ায়। পরীমনির সঙ্গে তার বিয়ে, সংসার এবং বিচ্ছেদের কারণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বেপরোয়া জীবন বেছে নেয়ার কারণে তারা ২০১৪ সাল থেকে পৃথক বসবাস করে আসছেন। এখনো তাদের আনুষ্ঠানিক আইনগত তালাক হয়নি।
ছোটবেলায় মা সালমা সুলতানাকে ও বাবাকে হারানোর পর পরীমনি বড় হয়েছেন পিরোজপুরে নানা শামসুল হক গাজীর কাছে। সেখান থেকেই তিনি তার মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগে ব্যাচেলর অফ আর্টস (বিএ) (সম্মান) এ পড়াকালীন ২০১১ সালে ঢাকায় চলে আসেন এবং বুলবুল ললিতকলা একাডেমি (বাফা)য় নাচ শেখেন।
এদিকে সৌরভের দাদা বাড়ি ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া থানার মরিচবুনিয়া গ্রামে। ২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষার পর দাদাবাড়ি গিয়ে তখনকার শামসুর নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনির সঙ্গে পরিচয় হয়। তখন নানা বাড়ি থাকতেন আজকের পরীমনি। এরপর ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল তারা কেশবপুর কাজী অফিসে বিয়ে করেন।
বৃহস্পতিবার(৫ আগস্ট) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় পরীমনির তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বার্তাবাজার/পি