বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউওএইচও) তথ্যমতে, বিশ্বের ১৩৫টি দেশে করোনাভাইরাসের ডেলটার ধরন ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৫ আগস্ট) এনডিটিভি অনলাইনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।
বিশ্বে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে প্রায় ২০ কোটিতে। মৃতের সংখ্যা এখন প্রায় ৪২ লাখের বেশী।
ডব্লিউএইচও আগেই ডেলটা সংক্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কতা দিয়েছিল। জানানো হয়েছিল যে এই ধরনটি অন্য সব ধরনকে ছাপিয়ে যেতে পারে। ডব্লিউএইচওএর সতর্কতা এখন বাস্তবে পরিণত হচ্ছে।
তবে ডেলটার পাশগাপাশি অন্যান্য ধরনও ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। বিশ্বে ১৩২টি দেশে করোনার বেটা, ৮১টি দেশে গামা ও ১৮২টি দেশে ছড়িয়েছে আলফা ধরন।
ডেলটা প্রথম সংক্রমিত হয় ভারতে। গত বছরের অক্টোবরে ধরনটি শনাক্ত হয়, এটি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই কারণেই ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে করোনার মধ্যে এখন পর্যন্ত ডেলটা সবচেয়ে ভয়াবহ। যারা টিকা নেননি তাদের মধ্যে দ্রুত ডেলটা ছড়চ্ছে বলেও জানা গেছে। ডেলটা নিয়ে বর্তমানে উদ্বেগ রয়েছে, তাঁর বাইরে নেই ডব্লিউএইচও।
সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিশ্বে করোনার সংক্রমণ নতুন করে বৃদ্ধির জন্য অতি সংক্রামক ডেলটাসহ অন্যান্য ধরন ভূমিকা রাখছে। ফলে বিশ্বে দুঃস্বপ্ন ফিরে আসছে।
করোনা মোকাবেলায় যেসব অস্ত্র বিশ্বে বিদ্যমান সেগুলো দিয়েই ডেলটা নির্মূল সম্ভব বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। তবে যেহেতু বিশ্বে ডেলটার সংক্রমণ বাড়ছে তাই সুরক্ষামূলক ব্যবস্থাগুলো দীর্ঘ সময় অব্যাহত রাখার দরকার পড়তে পারে বলে মনে করছে ডব্লিউএইচও।
গত ৮ মে জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটায় (জিআইএসএআইডি) বাংলাদেশে করোনার ডেলটা ধরন শনাক্তের খবর দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে করোনায় সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশের শরীরে ডেলটা ধরন পাওয়া গেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
বার্তা বাজার/এম