বাংলাদেশের কাচ রপ্তানিতে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক আরোপ করতে চাইছে ভারত
অ্যাান্টিডাম্পিং শুল্ক আরোপের জন্য ভারতের তদন্তের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ। উৎপাদনমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে স্বচ্ছ কাচ (ফ্লোটিং গ্লাস) রপ্তানি হচ্ছে- এমনটাই অভিযোগ তুলেছে ভারত। বুধবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় বাংলাদেশ তা জানায়। লিখিতভাবে তাদের আপত্তি ভারতের ডিজিটিআর (ডিরেক্টর জেনারেল অব ট্রেড রেমিডিস)কে জানিয়ে দেওয়া হবে।
তিনটি বাংলাদেশ কোম্পানী- নাসির গ্লাস, পিএইচপি ফ্যামিলি এবং উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরী লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেছে, বাংলাদেশের এই কোম্পানিগুলো ফ্লোটিং গ্লাস উৎপাদনে যে খরচ হয় তার চেয়ে কম মূল্যে ভারতে গ্লাস রপ্তানি করছে। এ কারণে দেশটির দেশীয় কাচশিল্প ক্ষতির মুখে পড়েছে। আর এই যুক্তি দিয়ে এখন বাংলাদেশের কাচ রপ্তানিতে অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক আরোপ করতে চাইছে ভারত। তার আগে দেশটি বাংলাদেশের কাচ রপ্তানি নিয়ে তদন্তের বিষয়ে গত মাসে একটি নোটিস পাঠিয়েছে। তদন্তের পর ভারত ৫ বছরের জন্য বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর কাচ রপ্তানির ওপর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শুল্ক আরোপ (অ্যান্টিডাম্পিং) করবে।
একটি সূত্র থেকে জানা যায়, গত মাসে ভারত বাংলাদেশকে জানায় যে, তাদের কাচ নির্মাণ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ডাম্পিংয়ের অভিযোগ করেছে। ভারতীয় কোম্পানিগুলোর অভিযোগ- বাংলাদেশ থেকে কম মূল্যে কাচ রপ্তানির কারণে তারা ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এই অভিযোগ পেয়ে দেশটির ডিজিটিআর বাংলাদেশের ৩ কোম্পানির নাম উল্লেখ করে সম্প্রতি অ্যান্টিডাম্পিং আরোপের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে তদন্তের নোটিস পাঠায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। ৬ আগস্টের মধ্যে এই নোটিসের জবাব দিতে হবে।
বার্তা বাজার/এম