তিস্তা সেচ প্রকল্পের পানি প্রবাহ না থাকায় উপ-শাখা নালা দখলে নিয়ে ভরাট করে চাষাবাদ, বাড়িসহ দোকান-পাট গড়ে তুলেছে অনেক।
পানি উন্নয়ণ বোর্ড সূত্র মতে, উত্তরের জেলা নীলফামারী, দিনাজপুর ও রংপুরের ৫ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন মৌসুমে বৃষ্টির অভাবে খরা মোকাবেলায় সেচ প্রদানের লক্ষ্যে গড়ে উঠে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প।
নির্মাণের পর থেকে সেচের পানি না আসায় ব্যবহারের অযোগ্য হওয়ায় বেদখল হয়ে গেছে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উপ-শাখা খাল।
তিস্তা সেচ প্রকল্পের সৈয়দপুর ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার জানান, ৮৪-৮৫ সালে সেচ খালগুলো তৈরী করার পর থেকে মেজর কোন রিপিয়ারিং আমরা করতে পারিনি, টুকটাক কাজ করেছি।
যে সমস্ত সেচ খালে টেইল্যান্ডে সেচের পানি যায়নি বা কম গিয়েছে সে জায়গাগুলোর মধ্যে অনেক জায়গায় বসতি গড়ে উঠেছে আমরা সেগুলো অবৈধ দখলদার হিসেবে উচ্ছেদের আওতায় এনেছি এবং এসবের সীমানা নির্ধারন করে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আশাকরি দ্রæত এর সুফল আমরা পাবো।
তারিকুল ইসলাম সোহাগ/বার্তা বাজার/এসবি