সরকারি খাতায় আছে মৃত বলে। অথচ এসব ব্যক্তি পরিবারের সাথে চলাচল করছেন। সমাজরে সকল কাজে অংশগ্রহণও করছেন। মৃত থেকে জীবিত হতে ঘুরছেন উপজেলা নির্বাচন অফিসে এমন ৯ থেকে ১০ জন ব্যক্তি।
ভোটার তথ্য হালনাগাদের সময় ভুল তথ্য দিয়ে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। মৃতদের তালিকায় অনেকের নাম।
জানা যায়,পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম নামের আলীপুরা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা। তিনি গত ইউপি নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচন করতে পারেন নাই।
আরেক জন করোনার টিকা নিতে গিয়ে এমন বিব্রতকর অবস্থায় পরেছেন সালমা আক্তার (৩৫) নামের এক শিক্ষিকা।
জীবিত থাকার পরও মৃত হওয়ায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। বঞ্চিত হচ্ছেন রাষ্ট্রের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে। অনেকে সরকারি বেতন বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
নজরুল ইসলাম জানান,এই সমস্যার কারণে অনেক সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সেই সাথে অন্যান্য সমস্যায় পরতে হচ্ছে।
তবে অনেক মৃত ভোটারের সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছেন না উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্তারা। উপরস্থ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তারা এসব ভোটারদের সম্পর্কে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।
উপজেলা নির্বাচন সূত্রে জানা যায়, উপরস্থ কর্মকর্তাদের নিষেধ থাকায় তথ্য দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরো জানান, এখন পর্যন্ত ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি আবেদন করেছেন ভোটার তালিকায় মৃত থেকে জীবিত হওয়ার জন্য। আবেদনগুলো সংশোধনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বার্তা বাজার/টি