শার্শার হাটু সমান পানির নিচে কৃষকের আমন ধান

যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শার আমন ধানের ক্ষেত এখন পানির নিচে। টানা ৪ থেকে ৫ দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কয়েক হেক্টর আমন ধানের আবাদ করা জমি। ফলে মাথায় হাত এই অঞ্চলের বিরুপ প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করা কৃষকদের।

কৃষক আজিম খান বার্তা বাজারকে বলেন, আমি প্রায় দু-বিঘা জমিতে আমন ধান লাগিয়ে ছিলাম। গত কয়েকদিন আবহাওয়া খারাপ ছিলো। টানা বৃষ্টি দেখে আল্লহকে স্বরণ করছিলাম কি যে হয় তাই ভেবে। এরমধ্যে গত দুদিন আগে এই বৃষ্টিতে আমার পুরো জমি তলিয়ে গেছে। এখন এই জমির দিকে তাকালে কেউ বুঝতে পারবে না যে এখানে আমন ধানের আবাদ রয়েছে।

এদিকে, এই অঞ্চলের আশেপাশে খাল বা নদনদী না থাকায় জলাবদ্ধতার স্বীকার হয়েছে আশেপাশের বেশকয়েকটি ধানী জমি। ফলে পানি নিষ্কাশন নিয়েও দুশ্চিন্তায় তারা।

রহমত নামে এক চাষী বলেন, আমাদের এখানে কোন তেমন নদী নেই যে পানিটা সরে যাবে। এক্ষেত্রে যদি এলটানা ২-৩ দিন রোদ হতো তাহলে হয়তো পানি টা টেনে যেত। কিন্তু এমন অবস্থা থাকলে ধানের গোড়া পঁচে সব নষ্ট হয়ে যাবে।

এদিকে, এবছর রবি মৌসুমে আমনের ক্ষতি হওয়ায় আগামী বোরো মোসুমের ফসলের আবাদ নিয়ে চিন্তিত এই এলাকার চাষীরা।

তবে এই এলাকার পানি দ্রুত না সরলে এর ফলে আশেপাশের জমির সবজি ক্ষেতও নষ্ট হয়ে যাবে ফলে সবজি সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে করছে এলাকার চাষীরা।

কৃষকদের এই ক্ষয়ক্ষতির সম্পর্কে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার সৌতম কুমার শীল বার্তা বাজার কে বলেন, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় ৫শ ৫০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষকদের এই সংকটময় দুঃসময়ে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার সার্বিক ব্যবস্থা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

এ্যান্টনি দাস (অপু) /বার্তা বাজার/এসবি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর