ফেসবুকে প্রেমের পর ধর্মান্তরিত করে বিয়ে, স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে অনশন!
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে প্রমের সর্ম্পক হয় রাকিবুল হোসেন রাকিবের সাথে সনাতম ধর্মের ডলি বিশ্বাসরে। এক পর্যায়ে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে হয় তাদের।
জানা যায়,গত বছরের ১৯ আগস্ট বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে নিজধর্ম (সনাতন) ত্যাগ করে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করে নিজ নাম রেখেছেন মোছাঃ নিপা আক্তার।
পরে গত বছরের ২৩ আগস্ট জেলার নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে আরেকটি এফিডেভিটের মাধ্যমে ফেসবুক প্রেমিক রাকিবুল হোসেন রাকিবকে বিয়ে করে। তারপর থেকেই তারা প্রেমিক যুগল(বিবাহিত) বগুড়া শহরের একটি ভাড়া বাসায় কয়েকমাস যাবত বসবাস করে আসছিল।
বিয়ের প্রায় ১ বছর না যেতেই ধর্মান্তরিত নিপা আক্তারের (ডলি বিশ্বাস) কপালে নেমে আসে কালো মেঘ। প্রেমিক রাকিব তার প্রেমিকাকে রেখেই তার নিজধর্ম (ইসলাম) এর আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করে বাড়ীতে আনে।
এ খবর পেয়ে ওই প্রেমিকা নিপা আক্তার রোববার (১ আগস্ট) বিকালে তার স্বামীর বাড়ী শেরপুর শহরের দুবলাগাড়ীস্থ বাসভবনে স্ত্রীর স্বীকৃতি পেতে অনশন শুরু করে। এদিকে তার স্বামীর বাড়ীর লোকজন ওই মেয়েকে মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
নিপা আক্তার বলেন, আমি এখন ধর্মান্তরিত, হিন্দু সমাজেও তো আমাকে নিবেনা, তাহলে কোথায় যাবো? আমার সর্বস্ব লুট করে নিয়েছে কোটিপতির লম্পট ছেলে রাকিকুল হোসেন। সুষ্ঠ বিচার না পেলে এমনকি স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে আমার মৃত্যু ছাড়া কোন উপায় নাই।
তাছাড়া প্রেমিক রাকিব সম্প্রতি আরেক মেয়েকে বিয়ে করেছে এমন খবর পেয়েই প্রেমিকের বাড়ীতে অবস্থান নেয়ার পাশাপাশি বিচার পেতে আইনের আশ্রয় নিবেন বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে প্রেমিক রাকিবুল হোসেন রাকিবের মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।
পরে তার বাবা রফিকুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার ছেলে ওই মেয়েকে বিয়ে করেছে কিনা আমি জানিনা, তবে ওই মেয়ে তার বাড়ীতে অবস্থান নেয়ার কথা স্বীকার করলেও তাকে কোন মারপিট করা হয়নি বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, ধর্মন্তরিত কোন বিয়ের দাবিতে অনশন করছে বলে আমার জানা নেই।
রাশেদুল হক/বার্তা বাজার/টি