হত্যার ফাঁদে ফেলে টাকা দাবি

শেখ আমিনুর হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ৩০ টি চুরি মামলার আসামি সাতক্ষীরার বাঁকাল ইসলামপুর চরের মুকুল হত্যার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। গ্রামবাসী মুকুলকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছিল। শুনেছি পুলিশ তাকে চুড়ান্ত ভাবে শাসিয়ে ও হুশিয়ার করে ছেড়েও দিয়েছিল। এর একদিন পর মুকুলের হাত পা ও মুখ বাঁধা লাশ উদ্ধার হয়ে বাইপাস সড়কের বকচরায়। অথচ এই হত্যার ফাঁদে ফেলে গ্রামবাসীর কাছে টাকা দাবি করছে মুকুলের ভাই।

শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বাঁকাল এলাকার এক ডজনেরও বেশি যুবক এসব কথা বলেন। তারা বলেন ১০ জুন মুকুল হত্যার ছয়দিন পর ১৬ জুন সাতক্ষীরা আমলী আদালতে গ্রামের ছয়জন খেটে খাওয়া শ্রমিক শ্রেণির যুবকের বিরুদ্ধে মুকুল পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। এতে আসামি করা হয়েছে ড্রাইভার সাইফুল ইসলাম, ড্রাইভার মিজান, দোকানার মিটু হোসেন , ছট্টু, মাসুম ও রফিকুল ইসলামকে। অথচ তারা এ বিষয়ে কিছুই জানেনা। এদিন তারা নিজ নিজ পেশার কাজে ব্যাস্ত ছিল। পুলিশ জানিয়েছে বাঁকালের হরজন আলির পুত্র নিহত মুকুল হোসেন একজন মাদকসবী ও মাদক ব্যবসায়ী পেশাদার চোর। ময়না তদন্তের পর পুলিশ তার লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন মুকুলের পরিবার লাভের বশবর্তী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছে শুধুমাত্র গ্রামবাসীকে হয়রানি করার জন্য। তারা জানান মুকুলের ছোট ভাই মামুন বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের কাছে মোটা অংকের টাকা চেয়ে বলছে তাহলে মামলা তুলে নেওয়া হবে। মুকুল পরিবারের এই অন্যায় দাবি মেনে নেওয়া সম্ভব নয় উল্লেখ করে তারা বলেন, আমরা খেটে খাওয়া মানুষ। এই মামলা থেকে পুলিশ সুপারের সহায়তায় রক্ষা পেতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মোমিন, ফজলুল হক বাবু, রফিকুল ইসলাম, ফিরোজ হোসেন, লাল্টু, রায়হান, সুমন, আশরাফুল ইসলাম, আবু সাঈদ, রাশেদ, হাফিজুল, মিটু হোসেন নেককু, আলাউদ্দিন প্রমূখ। তারা তাদের কর্মজীবী বন্ধুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর